মঙ্গলবার (০৯ মে) বিকেলে সচিবালয়ে সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার জন্য মেয়রদের কাছে মেশিনারিজ ও যন্ত্রপাতির চাবি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে বর্জ্য ব্যবস্থাপনাই উত্তর সিটির জন্য বড় সমস্যা বলে জানিয়েছেন তিনি।
বেলারুশ থেকে কেনা বর্জ্য ব্যবস্থাপনাসহ রাস্তা-ঘাট নির্মাণের জন্য যন্ত্রপাতি প্রাপ্তির অনুষ্ঠানে মেয়র বলেন, যে মেশিনারিজগুলো পাব সেগুলো আমাদের প্রতিদিনকার দরকার।
‘আমাকে যদি জিজ্ঞেস করা হয় উত্তরের সবচেয়ে বড় সমস্যা কী। আমার কাছে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আগ্নোৎপাতের মতো একটি সমস্যা। ’
তিনি বলেন, শুনতে খুব সহজ যে আমরা বর্জ্য এক জায়গায় নিয়ে ফেলে দিলাম। একটা শহরের উপর এর যে আলটিমেট কুফল সেটি আমরা আমিন বাজারের আশেপাশে হাঁটলেই বলতে পারি। যেভাবে আমাদের জাইকা দিয়ে শুরু হয়েছে, সেভাবে আমরা ফলোআপ করতে পারিনি। আমাদের বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় কষ্ট পেতে হচ্ছে।
মেয়র বলেন, যেখানেই যাচ্ছি সবাই বলছে আপনারা বর্জ্য ব্যবস্থাপনা করতে পারছেন না কেন? আমাদের সেই অভ্যাসটি গড়ে উঠেনি। অনেক জায়গায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নেই, যেখানে করেছি সেগুলোও সাধারণ মানুষ সব সময় ব্যবহার করেন না।
তিনি বলেন, ময়লার বিন বানিয়েছি, রাতে হয়তো চুরি হয়ে যায় বা এর পাশে দাঁড়িয়েই ময়লা ফেলা হয়।
প্রাথমিকভাবে ডিএনসিরি ৩৫টি, দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৩৫টি ও নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনে ২৩টি, ময়মনসিংহ পৌরসভায় ৭টি, ফরিদপুর ৭টি, সাভারে ৪টি, নরসিংদীর ৪টি, ঘোড়াশালের ৪টি, গোপালগঞ্জে ৪টি, টুঙ্গিপাড়া ৪টি, কোটালীপাড়ার ৪টি, পটুয়াখালীর ৭টি, বাউফলের ৪টি ও ভেদরগঞ্জ পৌরসভায় ১টি যন্ত্রপাতি বিতরণ করা হয়।
শিগগিরই দেশের বাকি সিটি করপোরেশন ও পৌরসভায় এসব যন্ত্রপাতি বিতরণ করা হবে বলে জানায় মন্ত্রণালয়।
মেশিনারি যেগুলো দেওয়া হয়েছে সেগুলো পরিকল্পনা মাফিক ব্যবহার না করলে ভবিষ্যতে বিপদ হবে বলে জানান মেয়র।
স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব আবদুল মালেক, স্থানীয় প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী শ্যামা প্রসাদ অধিকারী, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ও নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট পৌরসভার মেয়ররা এসময় উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ সময়: ২১৩৪ ঘণ্টা, মে ০৯, ২০১৭
এমআইএইচ/এসএইচ