এ অবস্থায় উপস্থিত সবার প্রশ্ন, যদি আলমের কথা সত্য হয়, তবে তিনি কোথায় পেলেন ২২ ক্যারেট ওজনের স্বর্ণের বার? পরে অবশ্য আসল-নকল যাচাই শেষে প্রমাণ হয় ওই বার দু’টি নকল।
মঙ্গলবার (০৯ মে) দিনগত রাতে যাত্রীকে বোকা বানিয়ে নকল সোনার বার বিক্রি করতে গিয়ে ধরা পড়েন ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা চালক মো. আলম মিয়া (৩৫)।
জেলার খালিয়াজুরী উপজেলার চাকুয়া ইউনিয়নের শালদিঘা গ্রামের মো. শেরখাঁ’র ছেলে আলম মূলত প্রতারক চক্রের সদস্য। এই চক্র মানুষকে বোকা বানিয়ে তাদের কাছে নকল সোনার বার বিক্রি করে থাকে।
রাতে আলমের প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পেরে নেত্রকোনা শহরের মোক্তারপাড়ার মিতালি ইলেক্ট্রিক ও ইলেক্ট্রনিকস নামে একটি দোকানের মালিক মো. আবদুল জলিলসহ স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করেন।
আবদুল জলিল বাংলানিউজকে বলেন, আলম তার এক যাত্রীকে বোকা বানিয়ে নকল স্বর্ণের বারগুলো বিক্রির চেষ্টা করছিলেন। আলম জানিয়েছিলেন যে তিনি এসব বার কুড়িয়ে পেয়েছেন। কিন্তু সন্দেহ হওয়ায় যাত্রী বারগুলো যাচাই করতে আমার দোকানে আসেন। পরে যাচাই করে দেখা যায় বারগুলো সোনার নয়, আলম তাকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করছিলেন। এসময় আশপাশের লোকজনের সহযোগিতায় আলমকে আটকে রেখে পুলিশে দেয়া হয়।
নেত্রকোনা মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) এমরান সরকার বাংলানিউজে জানান, অটোরিকশা চালকের ছদ্মবেশে আলম মূলত প্রতারক চক্রের হয়ে কাজ করে আসছিলেন। তিনি সদরের কান্দুলিয়া গ্রামে বাসা ভাড়া করে থাকেন। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
বাংলাদেশ সময়: ১৩৪৭ ঘণ্টা, মে ১০, ২০১৭
এসআই