এ উপলক্ষে বুধবার (১০ মে) শহরের বালাঘাটের বৌদ্ধ ধাতু জাদিতে (স্বর্ণমন্দির) ভিক্ষুদের ছোয়াইং দান করেন বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী দায়ক-দায়িকারা। পরে রাজপরিবারের আয়োজনে রাজা ইঞ্জিনিয়ার উচ প্রুর নেতৃত্বে পূর্ণিমা উপলক্ষে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়।
র্যালিটি করুণুপূর বৌদ্ধ বিহার প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়। এসময় রাজ পরিবারের সদস্যরা ছাড়াও বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী তরুণ-তরুণী, নারী-পুরুষ অংশ নেন। এ ছাড়াও কালাঘাটার রাম জাদী বৌদ্ধবিহার, কেন্দ্রীয় বৌদ্ধবিহার এবং রাজগুরু বৌদ্ধবিহারে বৌদ্ধ ভিক্ষুদের ছোয়াইং দান এবং গৌতম বুদ্ধের স্মরণে ধর্মীয় প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় পৌরসভার মেয়র মোহাম্মদ ইসলাম বেবী, পৌর কাউন্সিলর দিলীপ কুমার বড়ুয়াসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী নারী-পুরুষ অংশ নেন।
অপরদিকে কেন্দ্রীয় বৌদ্ধবিহারের সামনে শতবর্ষী বোধিবৃক্ষের চতুর্দিকে সারিবদ্ধভাবে সকালে ভ্রমণ করে বৌদ্ধধর্মাবলম্বী নারী-পুরুষরা চন্দন কাঠের এবং ঝরনার পবিত্র পানি উৎসর্গ করেন বোধিবৃক্ষে।
জেলার সাতটি উপজেলার বিভিন্ন ক্যাং ও জাদিতে পঞ্চশীল গ্রহণ, সংঘদান, অষ্ট পরিষ্কার দান, বুদ্ধমূর্তি দান, ধর্মসভাসহ নানা আনুষ্ঠানের আয়োজন করে। নানা আয়োজনে উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে বুদ্ধপূর্ণিমা (বৈশাখী পূর্ণিমা) পালন করেন পাহাড়ের বৌদ্ধ ধর্মালম্বীরা।
বাংলাদেশ সময়: ১৫৫৫ ঘণ্টা, মে ১০, ২০১৭
আরএ