সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, লাইব্রেরির ভেতরে আলমারিগুলো বছর খানেক ধরে খোলা হয় না। আলমারি ও বইগুলো ছাড়াও পড়ার টেবিলে পড়েছে ধুলার আস্তরণ।
লাইব্রেরি ভবনের ভেতরে দেয়ালে রয়েছে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি ছবি। সাদা দাগ আর ধুলা পড়ে বোঝাই যাচ্ছে না যে, ছবিটি কার? ছবিটি দেওয়ালে বাধানোর পর বোধ হয় আর নামানো কিংবা পরিষ্কারই করা হয়নি।
সহকারী লাইব্রেরিয়ান পদে দু’জন থাকলেও তাদের চেয়ারগুলো ফাঁকা ও অপরিষ্কার। তাদের একজন অসুস্থতাজনিত কারণে গত বছরের ০১ জুন থেকে ছুটিতে আর অন্যজন গত ০২ ফেব্রুয়ারি থেকে ছুটিতে রয়েছেন। পরিছন্নতাকর্মী সুরেশ পাল আসেন মাঝে-মধ্যে। তবে চলতি মাসে তিনি লাইব্রেরিতে আসেননি।
লাইব্রেরিয়ান শওকত হায়াত বাংলানিউজকে জানান, বেশি পাঠক না আসায় আলমারিগুলো নিয়মিত খোলা হয় না। লাইব্রেরিটি শহরের মধ্যে হওয়ায় ধুলা-বালি বেশি। তবে নিয়মিত পরিষ্কার করা হয় বলে দাবি তার।
তিনি আরও জানান, দুই সহকারী লাইব্রেরিয়ান ছুটিতে থাকায় তাদের চেয়ারগুলো এভাবে পড়ে রয়েছে।
পত্রিকা পড়তে আসা জয়নাল আবেদিন বাংলানিউজকে জানান, লাইব্রেরি হলো জ্ঞানচর্চার স্থান। আর এটাই এমন অপরিষ্কার থাকে। এমন কোনো চেয়ার-টেবিল নেই, যেখানে ধুলা-বালি নেই। আলমারিগুলো খোলা হয় না। এখানে বই পড়ার তেমন পরিবেশ নেই। সারাক্ষণ দুর্গন্ধ থাকে লাইব্রেরিতে। এখানে নারীদের আলাদা বসারও কোনো ব্যবস্থা নেই।
বাংলাদেশ সময়: ০৯১৯ ঘণ্টা, মে ১১, ২০১৭
এনটি/এএসআর