তবে ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ চলে গেলেও ওই এলাকা বিশেষ নজরদারিতে রাখা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ মে) সকাল ৯টা থেকে বিকেল পর্যন্ত বাড়ি দু’টি ঘিরে রেখে অভিযান চালানো হয়।
বিকেলে নাটোরের সহকারী পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আবুল হাসনাত বাংলানিউজকে জানান, বড়হরিশপুর এলাকায় পুলিশ লাইন্স’র পশ্চিম পাশে অবস্থিত অবসরপ্রাপ্ত যুগ্ম সচিব আমজাদ হোসেনের নার্গিস গার্ডেন নামে তিনতলা বাড়ি এবং পূর্ব পাশের আব্দুল হাই মোল্লার একতলা বাড়ি ঘিরে রাখে বগুড়া ও নাটোর জেলা পুলিশ। নার্গিস গার্ডেনের নিচতলায় দুই জঙ্গি এবং আব্দুল হাই মোল্লার বাড়িতে চার জঙ্গি অবস্থান করছে-এমন সংবাদের ভিত্তিতে বাড়ি দু’টিতে অভিযান চালানো হয়। দুপুর ২টার দিকে আব্দুল হাই মোল্লার বাড়ি থেকে দুই নারীকে পুলিশ লাইন্স এ নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দেয়া হয়। এসময় মাইকিং করে বাড়িতে কোনো জঙ্গি থাকলে তাকে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়। এতে কারো সাড়া না পেয়ে পরে ভেতরে তল্লাশি চালানো হয়। এসময় সেখানে সন্দেহভাজন কাউকে বা সন্দেহজনক কিছু না পাওয়ায় অভিযান শেষ করা হয়। তবে নাসরিন গার্ডেনের নিচতলা থেকে কিসমত আলী (৩৮) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি একটি মামলার ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামি।
তিনি আরো জানান, এটি পুলিশের একটি রুটিন ওয়ার্ক। গোয়েন্দা সংস্থার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে মূলত ওই দুই বাড়ি ঘিরে রাখা হয়েছিল। কিন্তু সেখানে কিছু পাওয়া যায়নি।
এদিকে, নিরাপত্তার অজুহাতে পুলিশ লাইন্স’র গেটেই সংবাদ কর্মীদের আটকে দেয় পুলিশ।
এ ব্যাপারে নাটোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খায়রুল আলম বাংলানিউজকে জানান, নিরাপত্তাজনিত কারণে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিষেধাজ্ঞা থাকায় ঘটনাস্থলে কাউকে যেতে দেয়া হয়নি।
বাংলাদেশ সময়: ১৮৪০ ঘণ্টা, মে ১১, ২০১৭
এসআই