বৃহস্পতিবার (১১ মে) দুপুরে আবার বিচার চেয়ে লালমনিরহাটের আদিতমারী থানায় অভিযোগ করেছেন নির্যাতিত রোজিনা বেগম (২৬)।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ২০১৫ সালের ২৭ নভেম্বর উপজেলার পলাশী ইউনিয়নের মহিষাশ্বহর গ্রামের আশরাফ আলীর ছেলে রবিউল ও রোজিনার বিয়ে হয়।
এ ঘটনায় বিচার চেয়ে ২০১৬ সালের ১১ মে লালমনিরহাট জজ আদালতে মামলা দায়ের করেন রোজিনা। মাস দুই আগে এ মামলায় জামিন চেয়ে আদালত আত্মসমর্পণ করেন যৌতুকলোভী রবিউল। কিন্তু তার জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নিদের্শ দেন। দু’মাস হাজত বাস করার পর ৯ মে স্ত্রীকে মারধর না করে সুখের সংসার করবেন বলে মুচলেকা দিয়ে জামিনে মুক্তি পান রবিউল। জামিনে মুক্তি পেয়ে স্ত্রী রোজিনাকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ি ফেরেন তিনি। কিন্তু বাড়ি পৌঁছেই রোজিনাকে রশি দিয়ে বেঁধে লাঠি দিয়ে মারধর করেন রবিউল ও তার পরিবারের লোকজন। একপর্যায়ে রোজিনার চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে আদিতমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
এ ঘটনায় রোজিনা বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে স্বামী রবিউল ও চাচা শ্বশুর নায়েব আলীসহ শ্বশুর বাড়ির আটজনকে আসামি করে আদিতমারী থানায় অভিযোগ করেন।
আদিতমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. গোলাম আম্বীয়া আদিল বাংলানিউজকে বলেন, রোজিনার সমস্ত শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। চিকিৎসা চলছে। সুস্থ হতে সময় লাগবে।
আদিতমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, তদন্ত) ফিরোজ কবির বাংলানিউজকে জানান, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বাংলাদেশ সময়: ২০১৬ ঘণ্টা, মে ১১, ২০১৭
আরবি/এসআই