স্থানীয় সময় শুক্রবার (১২ মে) সকালে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে আসবেন যুক্তরাষ্ট্র্রের নীতি-নির্ধারক, থিংক-ট্যাংক, ব্যবসায়ী, শিক্ষক, শিক্ষার্থীদের অনেকে। তারা শুনবেন বাংলাদেশ সম্পর্কে।
আয়োজন গোটা দিনের। সকাল ৮টায় শুরু হয়ে চলবে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনের ক্যামিব্রেজে ম্যাসাচুসেটস এভিনিউতে বিশ্বখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস হার্ভার্ডের হলরুমে।
বস্টনভিত্তিক গবেষণা সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট ইন্সটিটিউট (আইএসডিআই) এবং শাইন ইনিশিয়েটিভ (সাসটেইনেবলিটি অ্যান্ড হেলথ ইনিশিয়েটিভ ফর নেটপজিটিভ এন্টারপ্রাইজ) এর যৌথ উদে্যাগে এবং বাংলাদেশের সামিট গ্রুপের সহযোগিতায় এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।
বাংলাদেশের উন্নয়ন ইস্যুতে যুক্তরাষ্টে এটিই সবচেয়ে বড় অ্যাকাডেমিক কনফারেন্স।
এরই মধ্যে সম্মলেনে যোগ দিতে হাভার্ড পৌঁছেছেন বাংলাদেশে এসডিজি বাস্তবায়নে প্রধান সমন্বয়কের দায়িত্বপ্রাপ্ত, প্রধানমন্ত্রীর সাবেক মুখ্যসচিব আবুল কালাম আজাদ, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ-বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান, জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ড. মাসুদ বিন মোমেন, কনসাল জেনারেল শামীম আহসান, ব্যবসা ও অন্যন্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রে সফল বাংলাদেশি, বাংলাদেশের সফল ব্যবসায়ী যারা যুক্তরাষ্ট্রে তাদের পণে্যর বাজার সৃষ্টি করেছেন তাদের অনেকেই।
বিশ্বের বিভিন্ন পর্যায়ে যারা সফল তারাও এতে অংশ নিয়ে তাদের অভিজ্ঞতা, ধারণা ও সফলতার উদাহরণগুলো বিনিময় করবেন। বাংলাদেশ থেকে যারা অংশ নেবেন তারা এখান থেকে পাবেন তাদের সামনে এই চলার কৌশলগত ধারণা ও জ্ঞান।
জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের প্রেস মিনিস্টার নূর এলাহী মিনা বাংলানিউজকে জানান, অংশগ্রহণকারীরা এরই মধ্যে হার্ভার্ডে পৌঁছে গেছেন। ক্যাম্পাস যেনো এরই মধ্যে বাংলাদেশময় হয়ে উঠেছে। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১১ মে) সন্ধ্যায় সম্পন্ন হয় পরিচিতিপর্ব ও ডিনার। শুক্রবার সকাল থেকে শুরু হবে মূল আলোচনা।
এমডিজি অর্জনে বাংলাদেশ ছিলো জাতিসংঘের কাছে রোল মডেল। ২০৩০ সালের উন্নয়ন এজেন্ডা এসডিজি অর্জনেও বাংলাদেশ সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে এগুচ্ছে, এই সম্মেলন তারই অংশ।
অনুষ্ঠানের সমন্বয়কারীদের একজন ইকবাল ইউসুফ জানান, সম্মেলনের কর্ম অধিবেশনগুলোতে যেসব বিষয় উঠে আসবে তা হচ্ছে- এসডিজি ও বাংলাদেশের জন্য প্রধানতম চ্যালেঞ্জ ও সুযোগসমূহ, বিদু্যৎ ও পরিচ্ছন্ন জ্বালানি ব্যবহারে সুবিধা, জলবায়ূ পরিবর্তন মোকাবেলায় নেয়া পদক্ষেপসমূহ, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারীত্ব, উন্নয়নে আইসিটির ভূমিকা, এসডিজির জন্য অন্তর্ভূক্তিমূলক অর্থ ও বিনিয়োগ এবং বাণিজ্য ও শিল্পে কাঠামোগত উন্নয়ন।
তিনি জানান, অংশগ্রহণকারীদের মাঝে থাকবেন জাতিসংঘ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক উন্নয়ন অংশীদার, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, সরকারের উচ্চ পদস্থ, গবেষক, শিক্ষক, বেসরকারী সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।
বাংলাদেশ সময়: ১০২৪ ঘণ্টা, মে ১২, ২০১৭
এমএমকে