বৃহস্পতিবার (১১ মে) দিনগত রাতে খিলগাঁয়ে দক্ষিণ গোড়ানের ৩৪৭ নম্বর বাড়িতে এ নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। স্বামীর নির্যাতনে গুরুতর অসুস্থ্য ওই গৃহবধূকে ভোরে তাকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত মুন্নির ফুপু জানান, ৯ বছর আগে পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ে হয়। মুন্নি দুই শিশু সন্তানের জননী এবং আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা। সাইফুল্লাহ নারায়ণগঞ্জে একটি পোশাক কারখানার এজিএম পদে চাকরি করেন। তিনি গোপনে একটি হিন্দু মেয়ের সঙ্গে সম্পর্ক করে তাকে বিয়ে করেন। পরে ঘটনা জানাজানি হলে সাইফুল্লাহকে বুঝিয়ে শুনিয়ে ওই মেয়েকে তালাক দেওয়ানো হয়। তালাকের পরেও তিনি তাকে নিয়ে আবার গোপনে সংসার করেছিলেন। বিষয়টি মুন্নি টের পেলে সংসারে আবারো অশান্তি শুরু হয়। পারিবারিক কলহের জের ধরে সাইফুল্লাহ বৃহস্পতিবার রাতে মুন্নিকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে প্রতিবেশীরা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
খিলগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী মঈনুল ইসলাম বাংলানিউজকে জানান, অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে হত্যা অভিযোগে থানায় একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন। এ ঘটনায় সাইফুল্লাহকে আটক করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
বাংলাদেশ সময়: ১৭১৬ ঘণ্টা, মে ১২, ২০১৭
এজেএস/আরআইএস/এসএইচ