প্রেয়সীর স্বামী একজন ব্যবসায়ী। তার অসম বয়সী প্রেমিক ব্যবসায়ী আব্দুল আলিম পলাশ (২৩)।
ধামরাইয়ের সুয়াপুর ইউনিয়নের শিয়ালকুল গ্রামের এ ঘটনা শুক্রবার (১২ মে) জানাজানি হয়।
এলাকাবাসী জানান, ওই এলাকায় সুরুজ মিয়ার ছেলে আব্দুল আলিম পলাশের সঙ্গে একই ইউনিয়নের নারী ইউপি সদস্য নাজমিন সুলতানা প্রেয়সীর এক বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছিল। প্রেয়সীর অভিযোগ, বয়সে সাত বছরের ছোট হলেও পলাশের প্রলোভনে স্বামী সন্তান রেখে দীর্ঘসময় মেলামেশা করছিলেন। এক পর্যায়ে পলাশই তাকে স্বামী পিন্টু মিয়ার কাছ থেকে সরিয়ে ধামরাই সদরে বাসা ভাড়া করে দেয়। সেই বাসায় নিয়মিত আসা-যাওয়া করতো পলাশ।
গত ২০ এপ্রিল ধামরাই পৌর এলাকার কাজী অফিসে গিয়ে ১০ লাখ টাকা কাবিনে তাকে বিয়েও করে। কিন্তু পরিবার মেনে না নিলে পলাশ প্রেয়সীকে এড়িয়ে চলতে শুরু করে।
অবস্থা বেগতিক দেখে বৃহস্পতিবার (১১ মে) থেকে শিয়ালকুল গ্রামে পলাশের বাড়িতে বিয়ের স্বীকৃতির দাবিতে অনশন শুরু করেন প্রেয়সী।
ইউপি সদস্য বাংলানিউজকে বলেন, যে পর্যন্ত আমাকে তারা মেনে না নেবে সে পর্যন্ত আমি এ বাড়িতেই অবস্থান করবো। আর তা না হলে আত্মহত্যা ছাড়া আমার আর কোনো উপায় থাকবে না।
পলাশের চাচা চান মিয়া বলেন, আমার ভাতিজা যদি বিয়ে করে থাকে, আর যদি সে স্ত্রী হিসেবে প্রেয়সীকে মেনে নেয় তাহলে আমাদের কোনো আপত্তি নেই।
এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে আব্দুল আলিম পলাশ বাংলানিউজের কাছে বিয়ের কথা অস্বীকার করেন। তবে প্রেয়সীর সঙ্গে তার সম্পর্ক ও ধামরাইয়ে বাসা নিয়ে দেওয়ার কথা স্বীকার করেন।
ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ রিজাউল হক দিপু জানান, ওই নারী থানায় কোনো অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাংলাদেশ সময়: ০১২৩ ঘণ্টা, মে ১৩, ২০১৭
এএ