শনিবার (১৩ মে) দুপুরে পুলিশ নিহতের মরহেদ উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (শজিমেক) মর্গে পাঠিয়েছে।
ধুনট থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাইনুদ্দিন বাংলানিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় অপমৃত্যু মামলা করা হয়েছে।
ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়া গেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে বলে যোগ করেন এসআই মাইনুদ্দিন।
স্থানীয়রা জানান, শৈশবে মা-বাবা হারা হন নার্গিস। এরপর থেকে টাঙ্গাইল শহরে এক সেনা কর্মকর্তার বাসার ঝিয়ের কাজ করতেন। একই বাসায় কাঠমিস্ত্রী ইউসুব আলী ফার্নিচার তৈরির কাজ করেন। এরই সূত্রধরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রায় বছরখানেক আগে ইউসুবের সঙ্গে নার্গিসের বিয়ে হয়। তাদের ২ মাস বয়সী এক ছেলে সন্তান রয়েছে।
নার্গিসকে মানিকপোটল গ্রামের বাড়িতে নিজ মা-বাবার কাছে রেখে কাজের সন্ধানে টাঙ্গাইলে চলে যান রেখে ইউসুব আলী। বর্তমানে সেখানে তিনি অবস্থান করছেন।
এদিকে শনিবার (১৩ মে) সকাল ৮টার দিকে স্বামীর ঘরের তীরের সঙ্গে ওড়না দিয়ে ঝুলন্ত নার্গিসের মরদেহ দেখতে পান পরিবারের লোকজন। পরে তারা পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ নিহতের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়ে দেয়।
বাংলাদেশ সময়: ১৪৩৫ ঘণ্টা, মে ১৩, ২০১৭
এমবিএইচ/বিএস