শনিবার (১৩ মে) দুপুরে সদর উপজেলার দ্বীপচর গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, দ্বীপচর গ্রামের রহিম প্রামাণিকের ছেলে রানার সঙ্গে একই গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে হাবিবুর রহমানের ২০০৪ সালে জমি নিয়ে দায়ের করা একটি মামলার কারণে বিরোধ চলছিল।
আহতদের পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাৎক্ষণিক খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরিস্থিতি বর্তমানে পুলিশের নিয়ন্ত্রণে থাকলেও ফের সংঘর্ষের আশঙ্কায় ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি।
গুলিবিদ্ধ মেহেদী হাসান বলেন, আমরা দ্বীপচর লাউদারা মহল্লার একটি চায়ের দোকানে বসে টিভি দেখছিলাম। এ সময় রানা ও তার লোকজন অতর্কিত হামলা চালায় এবং গুলি ছুড়তে শুরু করে। আমরা তখন এদিক ওদিক দৌড়ে পালাতে গেলে আমাদের ১২ জনের গায়ে গুলি লাগে। এদের মধ্যে লিলি খাতুন (৬০), জহুরুল ইসলাম (৩২), রুবেল (২৮), আল আমিন (৩০), আকাশ (২৪), রঞ্জু (২৭), রোহান (১৫), হিমেল রানা (১৯), ফজলু (৭০), আকাই (২৭), রনি (২৫) ও স্বাধীন গুলিবিদ্ধ হয়।
হাবিবুর রহমান বলেন, আমাদের ব্যক্তিগত একটি জমি নিয়ে আদালতে মামলা চলছিল। দীর্ঘদিন ধরে তারা বিভিন্ন প্রকার হুমকি ধমকি দিয়ে আসছিল। এরই জের ধরে হঠাৎ তারা এ হামলা করে।
পাবনা জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মুশফিকুর রহমান বলেন, গুলিবিদ্ধসহ প্রায় ১৫ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। আমরা তাদের চিকিৎসা সেবা দিচ্ছি। তবে শটগানের গুলি হওয়ায় শরীরের বিভিন্ন স্থানে বলগুলো ঢুকে গেছে। তবে তারা আশঙ্কামুক্ত বলেও জানান তিনি।
বাংলাদেশ সময়: ১৬০০ ঘণ্টা, মে ১৩, ২০১৭
আরএ