শনিবার (১৩ মে) বেলা আড়াইটার দিকে বিলকিস বেগমকে হাসপাতাল থেকে আটক করা হয়।
শুক্রবার (১২ মে) শেবাচিম হাসপাতালের চতুর্থ শ্রেণীর স্টাফ কোয়ার্টার কম্পাউন্ডের পুকুরে ভাসমান অবস্থায় অর্ধ লক্ষাধিক টাকার সরকারি ওষুধ উদ্ধার করা হয়।
তিনি জানান, কোয়ার্টারের পুকুর থেকে ওষুধ উদ্ধার এবং হাসপাতালের স্টাফ শেফালি বেগম ও তার ছেলে মামুনকে আটকের পর পুলিশ মামলা করে। এর তদন্ত করতে দুপুরে মহিলা মেডিসিন ওয়ার্ডে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় ওয়ার্ডের সেবিকা কক্ষে বিপুল পরিমাণ সরকারি ওষুধ মজুদ পাওয়া যায়। পাশাপাশি বিছানার চাদরসহ অন্য মালামালও রয়েছে। যা স্বাভাবিক নিয়ম বহির্ভূত বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল প্রশাসন।
বিলকিসকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে, পাশাপাশি তদন্ত কার্যক্রমও চলছে। এ ঘটনায় জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।
হাসপাতালের পরিচালক এসএম সিরাজুল ইসলাম জানান, বিলকিসের বিরুদ্ধে আগে থেকেই অভিযোগ ছিলো। নার্সিং কর্মকর্তাদের বিষয়টি জানানোও হয়েছে। তাকে এ ওয়ার্ড থেকে সরিয়ে দিতে বলা হয়েছিলো।
হাসপাতালের নার্সিং তত্ত্বাবধায়ক মমতাজ বেগম জানান, তিনি যোগদানের পরই বিলকিসের বিরুদ্ধে কিছু মৌখিক অভিযোগ শুনেছেন। তবে লিখিত অভিযোগ পাননি। এখন হাসপাতাল প্রশাসন পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন।
শুক্রবার সকাল থেকে কোয়ার্টারের ৪ নম্বর ভবনের সামনের মজা পুকুরে সরকারি ওষুধ ও ইক্যুইপমেন্ট ভাসতে দেখে স্থানীয়রা থানায় খবর দেন। পুলিশ ওষুধ উদ্ধার শেষে ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে হাসপাতালের চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী শেফালি বেগম ও তার ছেলে মামুনকে আটক করে। এ সময় তাদের বাসা থেকে সরকারি ওষুধ ও যন্ত্রপাতি জব্দ করা হয়।
বাংলাদেশ সময়: ১৭৫৩ ঘণ্টা, মে ১৩, ২০১৭
এমএস/আরআর/জেডএস/এএসআর