শনিবার (১৩ মে) সকালে সদর উপজেলার গয়াতলা বাজারে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, পূর্ব বিরোধের জের ধরে সকালে গয়াতলা বাজারে স্থানীয় ইউপি সদস্য লিটন মুন্সী ও পরাজিত সদস্য প্রার্থী বকাউল মুন্সীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।
আহতরা হলেন- মোস্তফা সরদার, জাকির মুন্সী, দবির সরদার, বোরহান মোল্যা, রনি সরদার, শাহীন সরদার, আল আমিন সরদার, কুদ্দুস ঢালী, সুজন সরদার, মজিবর আকন, জাহাঙ্গীর মুন্সী, বিল্লাল সরদার এবং বাকাউল মুন্সী পক্ষের শাহ আলম মুন্সী, রাসেল মুন্সী, কালু মুন্সী, মফিজুল মুন্সী, আবুল মুন্সী, আলী হোসেন সরদার, রাজ্জাক মুন্সী, হাফিজুল মুন্সী, মিজান মুন্সী, খলিল মৃধা, ইমান মুন্সী, আবু বকর মুন্সী ও বাচ্চু মুন্সী আহত হয়। আহতদের উদ্ধার করে শরীয়তপুর ও মাদারীপুর হাসপাতালে ভর্তিসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা চলছে।
লিটন মুন্সী বলেন, বাকাউল মুন্সীর লোকজন পূর্ব পরিকল্পিতভাবে আমার পক্ষের লোকজনের ওপর দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। এতে আমার পক্ষের ১২ জন লোক আহত হয়। আহতদের মাদারীপুর হাসপাতাল ও বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে।
এ অভিযোগ অস্বীকার করে বাকাউল মুন্সী বলেন, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে লিটন মুন্সী ও তার লোকজন তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমাদের ওপর দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এতে আমাদের ১৩ জন লোক আহত হয়। আতহদের মধ্যে ছয়জনকে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকীদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
পালং মডেল থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খলিলুর রহমান বাংলানিউজকে জানান, গয়াতলা বাজারে দু’পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ২৫ জন আহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ফের সংঘর্ষ এড়াতে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। তবে এ ব্যাপারে এখনও কেউ থানায় অভিযোগ করতে আসেনি।
বাংলাদেশ সময়: ১৮৪৫ ঘণ্টা, মে ১৩, ২০১৭
আরবি/আরএ