এ কারণে একজন লাইব্রেরিয়ানসহ তিনজন স্টাফের বেতন দিতে হিমশিম খান কর্তৃপক্ষ। নতুন নতুন বই কেনা ও আধুনিকতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে পাঠকের খোরাক জোগাতে আরও কয়েকটি কম্পিউটারের প্রয়োজন হলেও তা কেনা সম্ভব হচ্ছে না।
সর্বশেষ ২০১২ সালে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র থেকে বই কিনতে ৬০ হাজার টাকা বরাদ্দ পেয়েছিল লাইব্রেরিটি। তারপর থেকে এ খাতে আর কোনো সরকারি বরাদ্দ জোটেনি।
পাঠক অনুরুদ্ধ দাশ বাংলানিউজকে বলেন, লাইব্রেরিতে নতুন নতুন বই কেনা জরুরি। ই-বুক পড়া, অনলাইন নিউজ পেপারসহ অনলাইনে বিভিন্ন তথ্যাদির জন্য আরও কয়েকটি কম্পিউটার দেওয়ারও দাবি জানান তিনি।
তবে, স্থানীয় পর্যায়ে সংগৃহীত অনুদান থেকে কর্মচারীদের বেতন প্রদানসহ পাঠক সমাগমে নানা উদ্যোগ নিচ্ছে পাবলিক লাইব্রেরিটি।
সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরির সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান রাসেল বাংলানিউজকে বলেন, জেলা প্রশাসনের অনুদানে লাইব্রেরি ভবনের সংস্কার ও সম্প্রসারণ করা হয়েছে। ২০১২ সালের পর জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র থেকে কোনো সরকারি অনুদান পাওয়া যায়নি। স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন সংগঠন, সংস্থা ও ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। এরই মধ্যে লায়ন্স ক্লাব অব ওয়েসিস ২০ হাজার টাকার বই দিতে চেয়েছে।
আয়ের খাত অত্যন্ত সীমিত উল্লেখ করে তিনি বলেন, লাইব্রেরির পাশের ঘরটির ভাড়া এবং সদস্য অন্তর্ভুক্তি ও মাসিক চাঁদাই আয়ের উৎস।
দেশের অন্য বেসরকারি পাবলিক লাইব্রেরির তুলনায় সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরি যেকোনো বিচারে এগিয়ে রয়েছে উল্লেখ করে তিনি সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়কে লাইব্রেরির উন্নয়নে এগিয়ে আসার আহবান জানান।
বাংলাদেশ সময়: ০৪৫৫ ঘণ্টা, মে ১৪, ২০১৭
এএসআর