একই সাথে পাবনার চাটমোহর পৌরসভা কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নদী ভরাট করে মার্কেট তৈরির কাজ বন্ধ এবং পাবনা শহরের ইছামতি নদী খননের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
রোববার (১৪ মে) নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীসহ ঢাকার চারপাশে নদীগুলোর দূষণরোধ এবং নাব্যতা বৃদ্ধি সংক্রান্ত ‘টাস্কফোর্স’র ৩৫তম সভায় এসব সিদ্ধান্ত হয়েছে।
নৌপরিবহণ মন্ত্রী ও টাস্কফোর্সের সভাপতি শাজাহান খান বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।
ভুমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ, নৌপরিবহন সচিব অশোক মাধব রায়, জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান মো. আতাহারুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার কর্মকর্তাগণ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
সভায় জানানো হয় যে, সাভারের ট্যানারির কারণে দূষণের কবলে পড়েছে ধলেশ্বরী নদী। এখনই ধলেশ্বরী দূষণমুক্তকরণে ব্যবস্থা নিতে হবে। চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদী দূষণমুক্ত না করা হলে মাছে প্রজনন ক্ষেত্র নষ্ট হয়ে যাবে।
সভায় আরও জানানো হয়, নদীর দু’পাড়ে বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। নদীর সীমানা চিহ্নিত করার লক্ষ্যে জরিপ অধিদফতর থেকে নকশা তোলার কাজ চলমান রয়েছে। এ পর্যন্ত ৮৬০টি নকশা তোলা হয়েছে।
বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অননুমোদিত ৪৫টি ধর্মীয় স্থাপনা বিষয়ে ধর্মীয় নেতাদের সাথে আরও আলোচনা অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত হয়।
বাংলাদেশ সময়: ১৯৩৭ ঘণ্টা, মে ১৪, ২০১৭
এমআইএইচ/এমজেএফ