শ্রমিক ছাঁটাইয়ের প্রতিবাদে সোমবার (১৫ মে) সকাল থেকে প্রায় পাঁচ শতাধিক শ্রমিক কারখানার বাইরে অবস্থান নিয়ে এ কর্মসূচি শুরু করেন।
এদিকে অপ্রীতিকর পরিস্থিত এড়াতে কারখানার বাইরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করেছে কারখানা কর্তৃপক্ষ।
কারখানার লিংকিং অপারেটর মো. রওশন আলী জানান, গত ১৩ মে কোনো অভিযোগ ছাড়া কারখানার শ্রমিক তুহিন, আবু বক্কর আশিক, মুনছুর আলী ও মো. আকরাম খানকে ছাঁটাই করে কারখানার কর্তৃপক্ষ।
তিনি বলেন, কি কারণে তাদের ছাঁটাই করা হয়েছে এ বিষয়ে কিছু জানায়নি কর্তৃপক্ষ। কারণ না জানতে পেরেই সকালে শ্রমিকরা কাজে যোগ না দিয়ে কারখানার সামনে বসে শান্তিপূর্ণভাবে কর্মবিরতি পালন করছে।
ছাঁটাইকৃত চার শ্রমিককে কারখানায় পূনর্বহাল করলে সব শ্রমিক কাজে যোগ দেবে।
এছাড়া শ্রমিকদের গালিগালাজ করায় কারখানার এপিএম শহিদুল ইসলামকে কারখানা থেকে ছাঁটাই করতে হবে বলেও জানান তিনি।
শ্রমিক আকরাম খান বলেন, মাতৃত্বকালীন, বাৎসরিক ও টিফিন বিল নিয়মিত দেওয়া হয় না। কোনো শ্রমিক প্রতিবাদ করতে গেলে তাকে ছাঁটাই করা হয়। এর আগে গত মার্চ মাসে ২২ জন শ্রমিককে কোনো কারণ ছাঁটাই করে কারখানার কর্তৃপক্ষ।
সরকারি নিয়ম অনুযায়ী শ্রমিক সংগঠন ‘ট্রেড ইউনিয়ন’ করতে গেলে কারখানা কর্তৃপক্ষ তা করতে দিচ্ছে না। এসব বিষয়ে কথা বলতে গেলেও শ্রমিক ছাঁটাই করা হয়।
এ ব্যাপারে কারখানার এইচ আর অ্যাডমিন মাহতাব উদ্দিন আহমেদ বাংলানিউজকে বলেন, ২৬ ধারায় ওই চার শ্রমিককে তাদের সব পাওনা পরিশোধ করে ছাঁটাই করা হয়েছে।
আন্দোলনরত অন্য শ্রমিকরা চাইলে যেকোনো সময় কাজে যোগ দিতে পারবে। তা না হলে কারখানার কর্তৃপক্ষ আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেবে। ২৬ ধারায় কোনো কারণ ছাড়াই কারখানা কর্তৃপক্ষ যে কাউকে যে কোনো সময় ছাঁটাই করতে পারে।
বাংলাদেশ সময়: ১৩১৭ ঘণ্টা, মে ১৫, ২০১৭
আরএস/এএটি/বিএস