সোমবার (১৬ মে) বিকেলে পুলিশ সদর দফতরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ অনুদান প্রদান করা হয়।
এ সময় পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) নিহত মতিনের পরিবার ও আহত ৫ পুলিশ সদস্যদের হাতে নগদ অর্থ তুলে দেন।
এ সময় নিহত মতিনের স্ত্রী তানজিলার হাতে সাত লাখ টাকা ও মতিনের মা বাদীনূর বেগমের পক্ষে ছোট ভাই মোস্তাকিমের হাতে তিন লাখ টাকা তুলে দেন।
অনুষ্ঠানে পুলিশ প্রধান বলেন, যে কোনো ঘটনা দুর্ঘটনায় পুলিশ এবং ফায়ার সার্ভিস একসঙ্গে কাজ করে। জঙ্গি অপারেশনগুলোতেও ফায়ার সার্ভিসকে আমরা পাশে পাই।
ঘটনার দিনের বর্ণনায় তিনি বলেন, অভিযানের সময় সারারাত আমি সেখানে যোগাযোগ করেছি। তাদেরকে নিরাপদ দূরত্বে অবস্থান করার জন্য বলি। কিন্তু ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা পানি দিয়ে মাটির দেয়াল ভাঙতে আস্তানার কাছে যায়। এরপর অতর্কিতভাবে আস্তানা থেকে বের হয়ে তারা হামলা চালায় মতিনের ওপর।
তিনি আরো বলেন, যুদ্ধে গেলে দুই পক্ষেরই ক্ষতি হয়। অনেক অভিযানে আমরাও অনেক মেধাবী অফিসারদের হারিয়েছি। তারপরেও প্রতিটি অপারেশনে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করি আমরা। সেদিন জেলা পুলিশ সিটি বা সোয়াটের অপেক্ষা করেনি, অনাকাঙ্খিত একটা ঘটনা না ঘটলে পূর্ণ সফলতার সঙ্গেই অভিযানটা সমাপ্ত হতো।
যতো বাধাই আসুক বাংলাদেশ পুলিশ পিছপা হবে না, সবাই একসঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন পুলিশ প্রধান।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী আহমেদ, রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি খুরশিদ হোসেন প্রমুখ।
বাংলাদেশ সময়: ১৭১৩ ঘণ্টা, মে ১৬, ২০১৭
পিএম/বিএস