যদিও এর আগে দু’দেশের কর্মকর্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেছিলেন পহেলা বৈশাখ (১৪ এপ্রিল ২০১৭) থেকে নিয়মিত যাতায়াত করবে মৈত্রী এক্সপ্রেস-২।
রেলওয়ে সূত্র জানায়, চলতি মাসের ২৪ ও ২৫ তারিখে কলকাতায় বাংলাদেশ-ভারতের রেল, কাস্টমস, ইমিগ্রেশন, রাজস্বসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তাদের মধ্যে বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
জানা যায়, মৈত্রী-২ চলাচল করবে সাতটি যাত্রী কোচ নিয়ে। এ সাতটি যাত্রী কোচে আসন সংখ্যা থাকবে ৪১৮টি। থাকবে এসি ও ননএসি কোচ। ভবিষ্যতে যাত্রীদের আগ্রহের ওপর নির্ভর করবে পুরো এসি করার।
প্রাথমিকভাবে সপ্তাহে একদিন খুলনা-কলকাতা মৈত্রী-২ চলাচলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মৈত্রী-২ চলাচলের সময় সমস্যা খুঁজে অনুসন্ধান ও যাত্রীদের সাড়া পাওয়ার পর সাপ্তাহিক রেল চলাচল বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।
খুলনা-কলকাতা যাত্রীবাহী ট্রেন ফের চালু উপলক্ষে ট্রায়াল হয় গত ৮ এপ্রিল। বাংলাদেশ রেলওয়ের চিফ মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার ইফতেখার হোসেনের নেতৃত্বে এদিন মৈত্রী-২–এ ছিলেন ৩৬ সদস্যের প্রতিনিধি দল।
সেসময় নয়াদিল্লি সফরে থাকা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ভিডিও কনফারেন্সে যৌথভাবে পতাকা নেড়ে ট্রেনটির যাত্রা উদ্বোধন করেন।
সীমান্তে আনুষ্ঠানিকতা শেষে দুপুরে পৌঁছে যায় কলকাতার চিৎপুর স্টেশনে।
পরদিন (এপ্রিল ৯) সকাল সোয়া আটটায় কলকাতা থেকে ছেড়ে আসে মৈত্রী এক্সপ্রেস-২ ট্রায়াল ট্রেনটি।
দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রায় আড়াই কোটি মানুষের স্বপ্ন পূরণ হতে যাচ্ছে ৪২ বছর বাদে। ১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের কারণে খুলনা-কলকাতা রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ব্রিটিশ শাসনামলে খুলনা-কলকাতা রেল চালু হয়।
এ সার্ভিস চালু হলে সাড়ে ৩ ঘণ্টায় যাওয়া যাবে কলকাতায়।
বাংলাদেশ সময়: ১৮৪১ ঘণ্টা, মে ১৬, ২০১৭
এসএস/এএ