কমিটির আহ্বায়ক সুলতানা কামাল বলেন, রামপাল তাপবিদ্যুৎ প্রকল্পের কয়লার ফ্লাই অ্যাশ (ছাই) পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর হবে। এ ক্ষতি আজকে হবে তা বলছি না।
তিনি আরও বলেন, আমরা রামপলে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র সর্ম্পকে যে তথ্য দিচ্ছি তা বিজ্ঞানভিত্তিক। রামপাল নিয়ে আমরা কোনো রাজনীতি করছি না।
সংবাদ সম্মেলনে আমেরিকার পরিবেশ বিজ্ঞানী এ. ডেনিস লেমলির একটি গবেষণা পত্র তুলে ধরা হয়। গবেষণা পত্রে বলা হয়েছে, রামপালের তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি ৬০ বছরে ৯০ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতায় ৩৮ মিলিয়ন টনের ছাই উৎপাদন করবে। এই ছাইয়ের একটি অংশ কনক্রিট ও ইট তৈরিতে ব্যবহার হবে। বাকি ছাইয়ে বর্জ্য রাখার ১২টি পুকুর অতিদ্রুত পূর্ণ হয়ে যাবে। কয়লার ছাই অপসারণের পরিকল্পনাসমূহ মাছ ও বন্যপ্রাণী এবং তাদের সাথে সংশ্লিষ্ট জনসম্পদকে মারাত্মক ঝুঁকিতে ফেলবে।
গবেষণা পত্রে আরও বলা হয়, ওই ছাই থেকে সেলিনিয়াম নামক বিষাক্ত তেজস্ব ক্রিয়া বের হয়ে পানি দূষিত হবে। জলজ খাদ্য চক্রের জন্য বিষাক্ত ঘনত্ব তৈরি করতে পারে। এর কারণে মাছ নানা ধরনের রোগ ও বিকৃতি নিয়ে জন্ম হতে পারে। এ মাছ যদি কোনো গর্ভবতী মা খায় তাহলে তার সন্তানও নানা শারীরিক বিকৃতি নিয়ে জন্মগ্রহণ করতে পারে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. আনোয়ার হোসেন ও অধ্যাপক বাসার, প্রফেসর আজিজ, ড. মতিন প্রমুখ।
বাংলাদেশ সময়: ১৬০৩ ঘণ্টা, মে ১৭, ২০১৭
এমএ/আরআর/এমজেএফ