ঢাকা, শনিবার, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩১, ০১ মার্চ ২০২৫, ০০ রমজান ১৪৪৬

জাতীয়

ভিক্ষুকমুক্ত খুলনাকে এবার বাল্যবিয়ে মুক্ত করতে হবে

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ১৩০৩ ঘণ্টা, মে ১৭, ২০১৭
ভিক্ষুকমুক্ত খুলনাকে এবার বাল্যবিয়ে মুক্ত করতে হবে বাল্যবিয়ে নিরোধ আইন-২০১৭ এর আলোকে পরামর্শ সভা/ছবি: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

খুলনা: খুলনাকে প্রাথমিকভাবে ভিক্ষুকমুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে আগেই। এবার বাল্যবিয়ে মুক্ত করার উপর জোর দিলেন খুলনার বিভাগীয় কমিশনার ও অতিরিক্ত সচিব মো. আবদুস সামাদ।

বুধবার (১৭ মে) কমিশনারের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত অর্ধদিবসব্যাপী বিভাগীয় পর্যায়ে বাল্যবিয়ে নিরোধ আইন-২০১৭ এর আলোকে সরকারি ও বেসরকারিভাবে করণীয় বিষয়ক পরামর্শ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বিষয়টি জানান।

তিনি বলেন, যে কোনো আইনের ফাঁক-ফোঁকড় থাকবেই।

আমরা যারা সমাজের সচেতন মানুষ, তাদের খেয়াল রাখতে হবে কোনো অসাধু মানুষ যেনো সে আইনের অপপ্রয়োগ না করতে পারে। বাল্যবিয়ের বিরুদ্ধে সরকারি-বেসরকারি যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে তার সুফল পাওয়া যাচ্ছে। খুলনা জেলায় বাল্যবিয়ে ৬৩ শতাংশ থেকে কমে ৪০ শতাংশে এসে দাঁড়িয়েছে। এ হার শূন্যে নামিয়ে আনতে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।

সভায় বক্তারা বলেন, বাল্যবিয়ে বন্ধের সফলতার সঙ্গে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। নারীদের সুরক্ষার জন্যই বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে এগিয়ে আসতে হবে।

প্ল্যান বাংলাদেশের সহায়তায় রূপান্তর পরিচালিত গার্লস অ্যাডভোকেসি অ্যালায়েন্স প্রকল্পের পক্ষ থেকে আয়োজিত এ পরামর্শ সভায় সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) ফারুক হোসেন।

বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো. গিয়াসউদ্দীন। মুক্ত আলোচনা পর্ব সঞ্চালনা ও আলোচনার সারসংক্ষেপ উপস্থাপন করেন সুন্দরবন একাডেমির নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক আনোয়ারুল কাদির। স্বাগতম বক্তব্য দেন রূপান্তরের নির্বাহী পরিচালক স্বপন কুমার গুহ।

এছাড়া অনুষ্ঠানে বাল্যবিয়ে নিরোধ আইন-২০১৭ এর সংক্ষিপ্ত উপস্থাপন করেন সিএমএম কোর্টের প্রবেশন অফিসার মো. শফিকুল ইসলাম। মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন বিভাগীয় জেলা তথ্য অফিসের উপ-পরিচালক ম. জাভেদ ইকবাল, জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নার্গিস ফাতেমা জামিন, ওয়ার্ল্ডভিশন প্রতিনিধি রামানুজ রায়, জেজেএস প্রতিনিধি এম এম চিশতি, নাগরিক ফোরামের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক বনানী সুলতানা ঝুমা, জেলা কাজী সমিতির সহ-সভাপতি এ এইচ এম জিন্নাত আলী, হিন্দু বিয়ে রেজিস্ট্রার সমিতির সভাপতি রণজিৎ মুখোপাধ্যায়, সাধারণ সম্পাদক ব্রজেশ রায়সহ গণমাধ্যম কর্মীরা।

বাংলাদেশ সময়: ১৯০০ ঘণ্টা, মে ১৭, ২০১৭
এমআরএম/ওএইচ/এএ

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।