শনিবার (২০ জুলাই) সকালে নিজ বাড়িতে বসে সাংবাদিকদের এ কথা জানান আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হক কিশোর।
>>আরও পড়ুন...রিফাত হত্যায় জড়িত থাকার ‘স্বীকারোক্তি’ মিন্নির
মোজাম্মেল হক কিশোর বলেন, সারাদেশের মানুষ দেখেছেন আমার মেয়ে কিভাবে তার স্বামীকে রক্ষার জন্য সন্ত্রাসীদের সঙ্গে লড়াই করেছে।
>>আরও পড়ুন...‘দুই মায়ের কোল খালি করে কবরবাসী হইলি তোরা’
বরগুনা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. মারুফ হোসেন বাংলানিউজকে জানান, আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে। এখানে জোর-জবরদস্তির কিছু নেই। আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন মিন্নি। এছাড়াও মামলায় আরও কয়েকজন সন্দেহভাজন পুলিশের নজরে রয়েছে।
মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) সকালে বরগুনার মাইঠা এলাকার বাবার বাসা থেকে মিন্নিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বরগুনার পুলিশ লাইনে নিয়ে আসা হয়। সেখানে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রিফাত হত্যাকাণ্ডে মিন্নির সম্পৃক্ততার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়ায় ওইদিন রাত ৯টার দিকে মিন্নিকে গ্রেফতার দেখায় পুলিশ।
পরদিন বুধবার বিকেলে মিন্নিকে আদালতে হাজির করে সাতদিন রিমান্ডের আবেদন করে পুলিশ। রিমান্ড শুনানি শেষে আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এ পাঁচদিন রিমান্ডের দ্বিতীয় দিনে মিন্নিকে আদালতে হাজির করলো পুলিশ।
এ হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, তদন্ত) মো. হুমায়ুন কবির বাংলানিউজকে জানান, জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মিন্নিকে আদালতে তোলা হয়। সেখানে মিন্নি রিফাত হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।
এ হত্যা মামলায় এখন পর্যন্ত ১৬ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এদের মধ্যে মিন্নিসহ ১৩ জন অভিযুক্ত রিফাত হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। এছাড়া এ মামলার দুইজন অভিযুক্ত রিমান্ডে রয়েছেন। আর এ মামলার প্রধান অভিযুক্ত নয়ন বন্ড ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন।
বাংলাদেশ সময়: ১১১৮ ঘণ্টা, জুলাই ২০, ২০১৯
এনটি