জানা যায়, প্রচণ্ড স্রোত ও পানি কমতে থাকায় হঠাৎ করেই নদী তীর ভাঙতে শুরু করেছে। ঝুঁকির মুখে রয়েছে চরভদ্রাসনের বালিয়াডাঙ্গী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও একটি কমিউনিটি ক্লিনিক।
ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত বালিয়াডাঙ্গী গ্রামের বাসিন্দা মনসুর মোল্যা বাংলানিউজকে জানান, গত বছর ভাঙনের পর আমার বাড়ি ছিল পদ্মার পাড়ে। কিন্তু এবার মনে হয় আর রক্ষা হবে না। সন্তানাদি নিয়ে আশ্রয় নেওয়ার মতো আর কোনো জায়গা নেই। যেভাবে ভাঙন শুরু হইছে এভাবে চলতে থাকলে রাতটুকুও পার করতে পারবো না। এরআগেই আমার শেষ সম্বলটুকু কেড়ে নেবে পদ্মা।
একই গ্রামের জলিল বিশ্বাস বলেন, পানি কমার সঙ্গে সঙ্গেই ভাঙন শুরু হইছে। থেমে থেমে ভাঙছে, কিন্তু ভাঙন যখন শুরু হয় তখন দুই তিন ঘণ্টা মধ্যে আর থামে না। জরুরি কোনো ব্যবস্থা না নিলে অনেক মানুষের ক্ষতি হয়ে যাবে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুলতান মাহমুদ জানান, চরভদ্রাসনে ভাঙনের ঝুঁকিতে থাকা এলাকাগুলো আমাদের পর্যবেক্ষণে রয়েছে। ভাঙন ঠেকাতে বালিয়াডাঙ্গীতে জরুরি ভিত্তিতে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
বাংলাদেশ সময়: ২১৫৫ ঘণ্টা, জুলাই ২২, ২০১৯
এনটি