মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) দুপুর ২টায় নগর ভবনে বিদ্যমান মশার ওষুধের কার্যকারিতা এবং মশক নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে নতুন ওষুধ নির্ধারণ সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
ডিএসসিসি মেয়র বলেন, সিটি করপোরেশন মশা নিধনের জন্য দুই ধরনের ওষুধ ব্যবহার করে।
মেয়র বলেন, লার্ভিসাইড অত্যন্ত কার্যকর একটি ওষুধ। বর্তমানে অ্যাডাল্টিসাইড বিষয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বেসরকারি সংস্থা আইসিডিডিআর’বি (আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ) এবং সিডিসিপি (রোগ নিয়ন্ত্রণ ও নিরাময় কেন্দ্র) যৌথভাবে মশার ওষুধ নিয়ে গবেষণা করেছে। আমরা সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে মশা নিধনের ওষুধের স্যাম্পল সরকারি প্রতিষ্ঠান আইইডিসিআর (সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান) এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাছে পাঠাবো। তারা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে যদি সঠিক বলে ব্যবহার করা হবে। এই ওষুধের আংশিক অকার্যকর হলে বা এই ওষুধের পরিবর্তে অন্য ওষুধ ব্যবহার করতে বললে, সে অনুযায়ী আমরা ব্যবস্থা নেবো।
সিটি করপোরেশনের ওষুধ অকার্যকর বিষয়টি সঠিক নয়, আজকের বৈঠকে এই বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে, বলেও উল্লেখ করেন সাঈদ খোকন।
ঢাকা সিটি করপোরেশনের মশা নিধনের ওষুধ স্যাম্পল হিসেবে গ্রহণ করে গবেষণা করা হয়নি বলেও তিনি জানান।
এর আগে মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকনের সভাপতিত্বে আইইডিসিআর, আইসিডিডিআর,বি, প্লান প্রোটেকশন উইং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরসহ মোট ১০টি সংস্থার সমন্বয়ে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ সময়: ১৬২৮ ঘণ্টা, জুলাই ২৩, ২০১৯
আরকেআর/জেডএস