মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) দুপুরে মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলার শিমুলিয়া ঘাট ও মাদারীপুরের কাঁঠালবাড়ি ঘাট পরিদর্শন করেন বিআইডব্লিউটিএ এর চেয়ারম্যান। পরিদর্শন শেষে শিমুলিয়া ঘাটে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বন্যার কারণে ডুবচর সরে যায়, নাব্যতা নিয়ে কোনো অসুবিধা হবে না। বর্তমানে যে চ্যানেলটি করা হচ্ছে এটি ২.৮ কিলোমিটার বা ২৮০০ মিটার। যাকে চওড়া করা হচ্ছে ২০০ ফুট ও গভীরতা করা হচ্ছে ১০ ফুট। বর্তমানে ১৪ ফুট গভীরতা আছে চ্যানেলে। পানি কমে গেলেও সেপ্টেম্বর মাসে যেন কোনো অসুবিধা না হয় সেদিকে লক্ষ্য রেখে কাজ চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। বন্যার জন্য স্রোত বেশি থাকায় বিআইডাব্লিউটিসি'র ফেরি চলাচলে সমস্যা হচ্ছিল। এখন স্রোত কমে গেছে। বর্তমানে ফেরির সংখ্যাও বেড়ে গেছে।
ঈদ প্রস্তুতি নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আসছে ঈদে যদি বন্যাও হয় বিআইডাব্লিউটিএ'র প্রস্তুতি ভালো। সবাইকে নিয়ে ভালভাবে ঈদ করা যাবে। নিরাপদ যাত্রায় সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে চ্যানেলে নাব্যতা সমস্যা নেই কারণ আলাদা চ্যানেল হচ্ছে। সাতটি ড্রেজার কাজ করছে চ্যানলে, এখানে ১১-১২টি ড্রেজার আনা হবে। বড় ফেরিগুলো চলাচলে ৯ ফুটের বেশি গভীরতা প্রয়োজন হয় না। বর্তমানে পানির গভীরতা ১৪ ফুটের মতো আছে।
বাংলাদেশ সময়: ২১৩৫ ঘণ্টা, জুলাই ২৩, ২০১৯
আরএ