বুধবার (২৪ জুলাই) দুপুরে মানিকগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ মমতাজ বেগম আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় দেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন হয়রত আলী, শামসু মিয়া, রকিব আহম্মেদ ও জাহাঙ্গীর।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০১৭ সালে ২৬ নভেম্বর সিংগাইর উপজেলার পূর্ব ভাকুম গ্রামের আনসার ফকিরের ছেলে সাভার লিজেন্ড কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র রাসেলকে ডেকে নিয়ে যায় এক বন্ধু। এরপর থেকে সে নিখোঁজ থাকে। পরিবারের সদস্যদের কাছে মোবাইল ফোনে মুক্তিপণের টাকা চাওয়া হয়। বিকাশের মাধ্যমে মুক্তিপণের জন্য দুই দফা ৩৫ হাজার টাকাও দেওয়া হয়। এ ব্যাপারে সেসময় সিংগাইর থানায় নিখোঁজের বিষয়টি জানিয়ে রাসেলের বাবা সাধারণ ডায়েরি করেন।
ঘটনার ৬ দিন পর রাসেলের মরদেহ পার্শ্ববর্তী হাউজিং কোম্পানির পরিত্যাক্ত স্থান থেকে পুলিশ উদ্ধার করে। পুলিশ তদন্ত করে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে গত বছরের ১২ জুলাই অভিযোগপত্র দাখিল করে আদালতে। আদালত মোট ২২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন। আসামিদের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ প্রমাণীত হওয়ায় বিচারক এ রায় দেন।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন এপিপি আহসান হাবিব ও আসামি পক্ষে অ্যাডভোকেট খলিলুর রহমান।
বাংলাদেশ সময়: ১৬৪১ ঘণ্টা, জুলাই ২৪, ২০১৯
এসএইচ