বুধবার (২৪ জুলাই) বিকেলে সদর উপজেলার ভাতুড়িয়া-সাড়াপোল সড়কের চাঁচড়া কলাবাগান এলাকার ওই খামারে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। ইমরোজ ভাতুড়িয়া গ্রামের নূর ইসলামের ছেলে।
তার ছোট ভাই ইসরাফিলের অভিযোগ, দুপুরে ক্ষমতাসীন দলের ছত্রছায়ায় থাকা সন্ত্রাসীরা অসামাজিক কার্যকলাপের উদ্দেশ্যে একটি মেয়েকে নিয়ে কলাবাগান এলাকার একটি মৎস্য ঘেরের টোং ঘরে ঢোকে। এসময় ইমরোজ বাধা দিলে সন্ত্রাসীরা ক্ষিপ্ত হয়ে গুলি ছোড়ে। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলে লুটিয়ে পড়েন ইমরোজ। তখন স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসকরা প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ইমরোজকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠান, কিন্তু পথেই তার মৃত্যু হয়।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মনিরুজ্জামান লর্ড বাংলানিউজকে বলেন, ইমরোজের বুকের বাম পাশে একটি গুলিবিদ্ধ হয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে ঢাকায় রেফার করা হয়। কিন্তু ঢাকায় নেওয়ার আগেই বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
যশোর কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান বাংলানিউজকে বলেন, ‘মেয়েলি ঘটনাকে কেন্দ্র করে হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে শুনেছি। তবে বিষয়টি তদন্ত শেষ না করে স্পষ্ট বলা যাচ্ছে না। এ ব্যাপারে জড়িতদের আটক করতে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে।
বাংলাদেশ সময়: ১৯২৬ ঘণ্টা, জুলাই ২৪, ২০১৯
ইউজি/এইচএ/