ঢাকা, শুক্রবার, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩১, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ২৮ শাবান ১৪৪৬

জাতীয়

বিআরআই বাস্তবায়ন হলে সবচে’ বড় বাণিজ্যিক এলাকা হবে এশিয়া

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ০১৩২ ঘণ্টা, জুলাই ২৫, ২০১৯
বিআরআই বাস্তবায়ন হলে সবচে’ বড় বাণিজ্যিক এলাকা হবে এশিয়া

ঢাকা: চীন সরকারের উদ্যোগ ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’ (বিঅারঅাই) বাস্তবায়ন হলে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক ও যোগাযোগের এলাকা হবে এশিয়া। যেখানে ছয়টি ইকোনমিক করিডোর হবে। এই করিডোরের একটি হবে চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ-ভারত। এর ফলে বিপুল অংকের বিদেশি বিনিয়োগ অাসতে পারে বাংলাদেশে। হতে পারে ব্যাপক অবকাঠামোগত উন্নয়ন।

বুধবার (২৪ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর ফার্মগেটের একটি মিলনায়তনে ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ: পার্সপেক্টিভ বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এ কথা বলেন। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পিস অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজ (বিআইপিএসএস) ও ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টার এ সেমিনারের আয়োজন করে।

ডেইলি স্টারের সহযোগী সম্পাদক শাহেদুল অালম খান বলেন, বিআরআই হলে অবশ্যই কানেকটিভিটি ও বিনিয়োগ বাড়বে। এতে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক কার্যক্রম বাড়বে। বিশ্বে নতুন বাণিজ্যবিপ্লব হবে।  

তিনি বলেন, এই উদ্যোগ ঘিরে যদি ভূরাজনৈতিক জটিলতা তৈরি হয়, তাহলে বিশ্বে নতুন সংকট তৈরি হতে পারে। আর এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন যদি নিশ্চিত করা যায়, তাহলে এটা সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেবে।  

বিআইপিএসএসের প্রেসিডেন্ট এ এন মুনিরুজ্জামান বলেন, এর মূল উদ্দেশ্য এশিয়াকে বিশ্ববাণিজ্যের কেন্দ্রীয় ইঞ্জিন করে তোলা। সমুদ্রপথে একগুচ্ছ আন্তর্জাতিক বন্দর, ভূমিতে আন্তঃসীমান্ত সড়ক, উচ্চগতির রেলপথ, বিমানবন্দর এবং ডিজিটাল সংযোগের অবকাঠামো নির্মাণ হলে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক এলাকা হবে এশিয়া।  

তিনি বলেন, এই বাণিজ্যপথ এশিয়ার বিস্তৃত এলাকায় জালের মতো ছড়িয়ে থাকবে, এশিয়াকে ভূমি-সমুদ্র-আকাশ ও ডিজিটাল মাধ্যমে ইউরোপ ও আফ্রিকার সঙ্গে যুক্ত করবে।

অর্থনীতিবিদ ড. তৌফিক অাহমেদ বলেন, এটি এশীয় বিশ্বায়নের কর্মসূচি। সবচেয়ে বেশি দেশ, বিপুল বিনিয়োগ এবং বিশ্বের সর্বাধিক জনসংখ্যাকে জড়িত করার এ পরিকল্পনা নিয়ে এটিই একবিংশ শতাব্দীর বৃহত্তম উন্নয়ন প্রকল্প। তবে এ উদ্যোগ কতটা বাস্তবায়ন হবে, সেটা নিয়ে সংশয় রয়েছে। কারণ এটি বিশ্ব রাজনীতির নতুন মেরুকরণ তৈরি করবে।  

অালোচনায় অন্যদের মধ্যে অংশ নেন ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ হোসাইন, বিমসটেকের সেক্রেটারি জেনারেল শহিদুল ইসলাম, সাবেক প্রতিমন্ত্রী আবুল হোসেন চৌধুরী, চায়না-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ সোসাইটির প্রেসিডেন্ট দেলোয়ার হোসাইন, বাংলাদেশ চায়না চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট ইসাকুল হোসেন সুইট, সাবেক সচিব রেজাউল কবির, ডিক্যাবের প্রেসিডেন্ট ওয়াহিদ এজাজ, জামিল অাহমেদ, শাহেদ অাখতার, রাজুল ইসলাম, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) জাহিদসহ দেশি-বিদেশি বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা।  

বাংলাদেশ সময়: ২১১৯ ঘণ্টা, জুলাই ২৪, ২০১৯
টিএম/এইচএ/

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।