বুধবার (২৪ জুলাই) জাতীয় প্রেসক্লাবের আব্দুস সালাম হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান ঠাকুরগাঁও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মাসুদুর রহমান।
সংবাদ সম্মেলনে ঠাকুরগাঁও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মাসুদুর রহমান বলেন, জাতীয় মহিলা ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ ২০১৯ টুর্নামেন্টটি যে বাইলজ (যে নিয়মে টুর্নামেন্ট পরিচালিত হবে) দিয়ে পরিচালনা করা হয়েছে এই বাইলজ দিয়ে টুর্নামেন্ট পরিচালনা করা যায় না।
তিনি আরো বলেন, বাইলজ নিয়মে বলা আছে একজন খেলোয়াড় টুর্নামেন্টে দুই বছর খেলতে পারবে না। খেললে তার শাস্তির বিধান কী তা বাইলজে উল্লেখ নেই। পরপর দুই মৌসুমে একটি খেলোয়াড় খেললে কি হবে, তাও উল্লেখ নাই। একটি খেলোয়াড়ের জন্য যেকোন দলের শাস্তি হতে পারে তাও বাইলজে উল্লেখ নাই। খেলোয়াড়ের শাস্তি হতে পারে কিন্তু টিম এর শাস্তি হতে পারে না। টিমের শাস্তি হলে ফাইন্যানশিয়াল হতে পারে। কিন্তু খেলতে দেওয়া হবে না এমন কিছু উল্লেখ নাই বাইলজে।
তিনি আরও দাবি জানিয়ে বলেন, সেদিন যারা আমাদের মেয়েদের লাঞ্ছিত করেছে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।
ঠাকুরগাঁও মহিলা দলের গোলরক্ষক মমতাজ বলেন, সেদিন আমাদের মাঠে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছিল না। তখন আমরা (খেলোয়াড়রা) বলছিলাম আমাদের খেলোয়াড়ের বয়স নিয়ে যদি সমস্যা থাকে, তাহলে খেলোয়াড় মাঠে ঢুকতে পারবে না। দল ম্যাচ খেলতে পারবে আমরা বলছিলাম কর্তৃপক্ষকে। তারা তখন কোন উত্তর দিতে পারছিল না। আমরা যখন মাঠে ঢুকতে চেয়েছিলাম পুলিশ আমাদের বাধা দিচ্ছিল। পরে আমাদের একটি রুমে আটকে রাখা হয়। প্রায় এক ঘণ্টা পরে রুম থেকে আমাদের বের করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে ঠাকুরগাঁও জেলা মহিলা ফুটবল দলের ম্যানেজার তাজুল ইসলাম, খেলোয়াড় শাবনুর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ সময়: ০১৫২ ঘণ্টা, জুলাই ২৫, ২০১৯
এমএমআই/আরএ