বুধবার (২৪ জুলাই) দুপুর ১টার দিকে সিলেটের দক্ষিণ সুরমার আলমপুর কারিগরি শিক্ষা কেন্দ্রের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত তুহিন গোলাপগঞ্জ উপজেলার হেতিমগঞ্জের কোনাচর দক্ষিণভাগ পলিকাপন গ্রামের মানিক মিয়ার ছেলে এবং কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে কম্পিউটার বিষয়ের শিক্ষার্থী।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, এদিন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ঢোকার সময় নির্ধারিত স্থানে জুতা রেখে কম্পিউটার ল্যাবে প্রবেশ করেন তুহিন। ল্যাব থেকে বের হয়ে নির্ধারিত স্থানে জুতা না পেয়ে খোঁজ করতে থাকেন। একপর্যায়ে জুতা জোড়া অন্য এক প্রশিক্ষণার্থীর পায়ে দেখতে নিজের দাবি করলে এ নিয়ে বাকবিতণ্ডা হয়।
বিষয়টি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অধ্যক্ষ মীমাংসা করে দিলেও কেন্দ্রের বাইরে আসা মাত্র কয়েকজন তুহিনের ওপর হামলা চালায়।
হামলায় গুরুতর আহত হন তুহিন। সহপাঠীরা গুরুতর অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে বিকেলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
সিলেট নগর পুলিশের মোগলাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আখতার হোসেন বাংলানিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, খুনের ঘটনায় জড়িত তায়েফ নামের একজনকে আটক করা হয়েছে।
বাংলাদেশ সময়: ০৪২৬ ঘণ্টা, জুলাই ২৫, ২০১৯
এনইউ/আরএ