চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. কলিমুল্লাহ বাংলানিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গত ২৩ জুলাই সন্ধ্যায় চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার কয়রাডাঙ্গা গ্রামের নুরানী হাফিজিয়া মাদ্রাসার দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্র আবির হুসাইন নিখোঁজ হয়।
পড়ুন>>চুয়াডাঙ্গায় মাদ্রাসাছাত্রের মস্তকবিহীন মরদেহ উদ্ধার
পরদিন সকালে অর্থাৎ বুধবার (২৪ জুলাই) মাদ্রাসার অদূরে একটি আম বাগানের ভেতর থেকে তার মাথাবিহীন মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
এরপর গোটা এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। হত্যাকাণ্ডের পর পুলিশের পাশাপাশি ঢাকা থেকে আসা র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) ডগ স্কোয়াডের একটি স্পেশাল দল বুধবার দিনভর অভিযান চালায়। কিন্তু নিহত মাদ্রাসাছাত্রর মাথা উদ্ধার করা যায়নি।
জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. কলিমুল্লাহ বাংলানিউজকে বলেন, খুলনা থেকে আসা ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ওই পুকুরে তল্লাশি চালিয়ে মাদ্রাসাছাত্রের মাথাটি উদ্ধার করেছে।
পড়ুন>>বলাৎকারের ঘটনা ধামাচাপা দিতে ‘ছেলেধরা’ নাটক
এদিকে এ হত্যাকাণ্ডের পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে মাদ্রাসার পাঁচ শিক্ষককে। পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, বলাৎকারের ঘটনা ধামাচাপা দিতে কৌশলে ওই ছাত্রকে হত্যা করা হয়েছে। আর এ ঘটনাটি ভিন্নখাতে দিতে শরীর থেকে মাথা কেটে বিচ্ছিন্ন করে গুম করা হয়।
বাংলাদেশ সময়: ১২১৭ ঘণ্টা, জুলাই ২৫, ২০১৯
এমএ/