বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে কুষ্টিয়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক অরূপ কুমার গোস্বামী জনাকীর্ণ আদালতে আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- কুষ্টিয়া দৌলতপুর উপজেলার মইশাডাঙ্গা গ্রামের নজের আলীর ছেলে মো. হাসেম সরদার (৪৫), শিতলীপাড়া গ্রামের মৃত লস্কর মালিথার দুই ছেলে মোফাজ্জেল হোসেন ওরফে মুফাজ (৭০) এবং সহোদর আকরামুল হক ওরফে আকেম (৪৮)।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৩ সালের ১২ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় গৃহপরিচারিকা রেখা খাতুনকে প্রতিবেশি হাসেম সরদার বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গৃহকর্তা মোফাজ্জেল হোসেনের হাতে তুলে দিয়ে আসেন। ১৭ ডিসেম্বর সকালে নিকটস্থ কলা বাগানের পাশে সরিষা ক্ষেতে রেখার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রেখার মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় মৃত রেখার বাবা রুস্তম আলী বাদি হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে দৌলতপুর থানায় হত্যা মামলা করেন।
মামলাটি নানা কারণে তদন্তে বিলম্ব হয়। অবশেষে সিআইডি মামলাটির তদন্ত শেষে রহস্য উদঘাটন করে আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দেয়।
কুষ্টিয়া জজ কোর্টের সরকারি কৌশুলি অ্যাডভোকেট অনুপ কুমার নন্দী বাংলানিউজকে জানান, আসামি মোফাজ্জেল হোসেনের বাড়িতে নিহত রেখা খাতুন কাজ করতেন। মোফাজ্জেলের মেয়ের সঙ্গে গ্রামের একটি ছেলের অবৈধ সম্পর্ক রেখা খাতুন দেখে ফেলায় তাকে প্রতিবেশি হাসেমের মাধ্যমে ডেকে নিয়ে রাতের আঁধারে হত্যা করে সরিষা ক্ষেতে মরদেহ ফেলে রাখে। আসামিদের বিরুদ্ধে আনা এমন অভিযোগ দীর্ঘ সাক্ষ্য শুনানি করে বিজ্ঞ আদালতের কাছে সন্দেহাতীত প্রমাণিত হওয়ায় রিচারক এ রায় দেন।
বাংলাদেশ সময়: ১৮২৬ ঘণ্টা, জুলাই ২৫, ২০১৯
এনটি