বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) নিজ নিজ আওতাধীন এলাকায় আলাদাভাবে ভবনগুলোতে অভিযান পরিচালনা করে ডিএনসিসি ও ডিএসসিসি।
ডিএনসিসি পরিচালিত অভিযানগুলোতে নেতৃত্ব দেন ডিএনসিসির নির্বাহী পরিচালক সাজিদ আনোয়ার।
ভবনগুলোর নির্মাণ প্রতিষ্ঠানকে স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন, ২০০৯ অনুযায়ী মোট ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ সব প্রতিষ্ঠানের নির্মাণাধীন ভবনের বিভিন্ন স্থান স্যাঁতস্যাতে ও অপরিচ্ছন্ন অবস্থায় পাওয়া যায় বলে ডিএনসিসির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
তাছাড়া এ সব স্থানে একনাগাড়ে তিনদিনের বেশি জমে থাকা পানিও পাওয়া যায়; যা এডিস মশার উর্বর প্রজননক্ষেত্র। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- বনানী ১২ নম্বর সড়কের ‘ভেঞ্চুরা প্রোপার্টিজ’, ১৭ নম্বর সড়কের ‘আবুল খায়ের গ্রুপের সাইট অফিস’, ৬ নম্বর সড়কের একটি ব্যক্তিগত মালিকানাধীন নির্মাণাধীন বাড়ি, এবং ১১ নম্বর সড়কের ‘ডমিনো’। ‘ডমিনো’কে একলাখ টাকা এবং অন্য তিনটি প্রতিষ্ঠানকে ৫০ হাজার টাকা করে মোট একলাখ ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।
একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের নির্মাণাধীন ভবনগুলো ১২ ঘণ্টার মধ্যে পরিষ্কার করে ছবিসহ ভ্রাম্যমাণ আদালতের কাছে জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
অন্যদিকে নিজেদের অভিযানের চতুর্থ দিনে মোট ৮৯টি নির্মাণাধীন ভবন পরিদর্শন করেন ডিএসসিসির ভ্রাম্যমাণ আদালত। এগুলোর নয়টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় মালিককদের বিভিন্ন অংকে মোট দুই লাখ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
এ নিয়ে গত চার দিনে মোট ২৪৩টি ভবনে অভিযান চালিয়ে ৩১টিতে এডিসের লার্ভা পাওয়ায় ৩১ জন ভবন মালিককের কাছ থেকে মোট ৬ লাখ ২৮ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছে ডিএসসিসির মোবাইল কোর্ট।
বাংলাদেশ সময়: ১৯৩৩ ঘণ্টা, জুলাই ২৫, ২০১৯
এসএইচএস/এএ