জানা যায়, সম্প্রতি বন্যা পরবর্তীতে হাকালুকি তীরবর্তী কুলাউড়া, বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলার প্রায় ২৫ হাজার জেলে নতুন মাছের সন্ধানে জাল ফেলছেন। এতে অন্য মাছের সঙ্গে উঠে আসছে রুপালি ইলিশ।
মৎস্য বিভাগ জানায়, বেশিরভাগ নদী ড্রেজিং করায় এবার পানির স্রোত ভালো ছিল। এজন্য সাগর থেকে নদী পথে প্রবেশ করে রুপালি ইলিশ এসেছে হাকালুকি হাওরে। ইলিশ ছাড়াও এবারের অন্যান্য মাছ এসেছে ব্যাপকহারে। প্রতি ১০টি মাছের সঙ্গে একটি ইলিশ ধরার রেকর্ড করছেন অনেক জেলে।
সরেজমিনে বড়লেখা, জুড়ী উপজেলার বিভিন্ন বাজারে ও কুলাউড়ার আছরিঘাটে হাকালুকির ইলিশ বিক্রি হতে দেখা গেছে। হাকালুকির ইলিশ বলে কড়া দাম হাঁকছেন মৎস্যজীবীরা।
বড়লেখা উপজেলা হাকালুকি গ্রামের মৎস্যজীবী আবেদ হোসেন বাংলানিউজকে বলেন, আমি দলবল নিয়ে প্রতিদিন হাকালুকিতে মাছ ধরছি। অন্য মাছের সঙ্গে গড়ে ২০-২৫টি ইলিশ ধরা সম্ভব হয়। এসব ইলিশ প্রতি কেজি ৭০০ টাকা থেকে ১২শ’ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে।
কুলাউড়ার মাছ ব্যবসায়ী নানু মিয়া বাংলানিউজকে বলেন, এক জেলের কাছে থেকে প্রায় ১৫ কেজি ইলিশ কিনে বিক্রি করতে
এসেছি। আড়াই ঘণ্টার ব্যবধানে তা বিক্রি হয়ে গেছে। মাছের চাহিদা অনেক।
কুলাউড়া উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সুলতান মাহমুদ জানান, সম্প্রতি বন্যায় ইলিশগুলো সাগর থেকে উজানের এই মিঠাপানিতে এসেছে। জেলেদের জালে সেসব ইলিশ ধরা পড়ছে। এ বছরের ইলিশের ওজন অন্য বছরের তুলনায় বেশি তবে স্বাদ ভিন্ন।
বাংলাদেশ সময়: ১১১৪ ঘণ্টা, জুলাই ২৬, ২০১৯
এনটি