নাম মোখলেছুর রহমান সাগর। ইতোমধ্যে সামাজিক নানা আন্দোলন করে আলোচনায় এসেছেন।
তার মতে, দেশে যখন মহামারী আকারে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব, তখন এটা নিয়ে নানা মানুষের নানা মতের পরিবর্তে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। সচেতন করতে হবে সাধারণ নাগরিকদের। সরকার উদ্যোগ নিলে সাধারণ মানুষরাও তাতে অংশ নেবে।
সাগর বাংলানিউজকে বলেন, আগে শুধু ঢাকাতেই ডেঙ্গু রোগী পাওয়া যেত। এখন, এটা দেশের বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে গেছে। হাজার হাজার মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত, গুরুতর অবস্থায় চিকিৎসাধীন চার হাজারের বেশি, মারা গেছেন বেশ কয়েকজন। এর মধ্যেই মশা মারার অকার্যকর ওষুধ নিয়ে চলছে বিতর্ক। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের নিষিদ্ধ ওষুধ দক্ষিণ সিটিতে ব্যবহার করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, আমি উত্তর সিটি দক্ষিণ সিটি বুঝি না। আমার চাওয়া, ডেঙ্গু নামের এ মহামারী দেশ থেকে বিদায় নিক। দেশের মানুষ ভালো থাকুক। আর কোনো ভাই-বোনকে হারাতে চাই না। মশা নিধনে মানসম্মত ওষুধ ছিটানো হোক। দুই সিটির মশা নিয়ে বিতর্ক আমাদের হতবাক করেছে। এটার প্রতিবাদ হওয়া উচিৎ। কার্যকর ওষুধ প্রয়োগ করা উচিৎ। নিজের নৈতিকবোধ থেকে প্রতিবাদ ও সচেতন করতে এখানে এসেছি।
দিনের বেলা মশারি হাতে প্রতিবাদ প্রসঙ্গে সাগর বলেন, যেহেতু মশা নিধন নিয়ে বিতর্ক হচ্ছে, আমি চাই, ওষুধ প্রয়োগের পাশাপাশি জনগণের সচেতনতা। তবে, মশা মারা জনগণের কাজ নয়। সরকারকে এ কাজ করতে হবে বা শুরু করতে হবে, জনগণ এতে অংশ নেবে। আমি মশারি হাতে নিয়েছি যেন, সরকার ও জনগণ উভয়ই মশা নিধন ও ডেঙ্গু সম্পর্কে সতর্ক হয়। পাশাপাশি, ডেঙ্গু আক্রান্ত সবার জন্য রক্তদাতারা এগিয়ে আসবেন, এটাও চাই।
এদিন তার হাতে থাকা প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল ‘ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে জোরালো উদ্যোগ চাই’, ‘ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর জন্য রক্ত-সৈনিকরা এগিয়ে আসুন’, ‘মশা নির্মূলে মানসম্মত কার্যকর ওষুধ চাই’, ‘মশা নিধনে উত্তর-দক্ষিণ, পূর্ব-পশ্চিম নির্ভরতা কেন? মেধের জনগণ নির্বাক। ’ যতদিন ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব থাকবে, ততদিন এ আন্দোলন চলবে বলে জানান সাগর।
বাংলাদেশ সময়: ১৯৪০ ঘণ্টা, জুলাই ২৬, ২০১৯
ইএআর/একে