শুক্রবার (২৬ জুলাই) রাতে কজওয়েতে গিয়ে দেখা যায়, ট্রাক, মোটরসাইকেল ও ছোট ছোট যানবাহন কজওয়ের ওপর দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে। আবার রাস্তার মধ্যে পানির স্রোত থাকায় অনেকে সিপ জাল (ধর্ম জাল) দিয়ে মাছ ধরছেন।
নন্দীর বাজার এলাকার বাসিন্দা আব্দুল মমিন বাংলানিউজকে বলেন, নয়দিন ধরে কি যে কষ্টে আছি, নৌকা করে এইটুকু (কজওয়ে) পার হয়েছি। এতে আমাদের খুব ভোগান্তি হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে পানি একটু কমে যাওয়ায় সড়কে গাড়ি চলাচল করছে।
বান্ধবীদের নিয়ে কজওয়েতে ঘুরতে আসা শেরপুর সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী ইয়াছমিন আক্তার বাংলানিউজকে বলেন, এখানে একটি ব্রিজ নির্মাণ হলে দুর্ভোগ কমে আসবে স্থানীয়দের।
এসময় ইয়াছমিনের বান্ধবী আমেনা বলেন, প্রায় প্রতি বছরই বন্যা হলেই কজওয়ে ডুবে যায়। এতে দুর্ভোগে পড়ে দুই পাড়ের বাসিন্দাসহ এ সড়কে দিয়ে চলাচলকারীরা। দুর্ভোগ কমাতে এর একটা স্থায়ী সমাধান দরকার।
ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক চালক নূর হোসেন বাংলানিউজকে বলেন, ‘ভাই কি কমু (বলব), কয়টা দিন ধরে কি যে কষ্টের মধ্যে আছিলাম’ তাই একটু পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে ঝুঁকি নিয়েই ইজিবাইক চালাইতে শুরু করছি। ’
এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) রাত থেকে শেরপুর-জামালপুর মহাসড়কের পোড়ার দোকান এলাকায় কজওয়ের ওপর দিয়ে প্রবল বেগে বন্যার পানি প্রবাহিত হয়। এতে ওই সড়কে শেরপুর থেকে জামালপুরসহ উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।
বাংলাদেশ সময়: ১৫২০ ঘণ্টা, জুলাই ২৭, ২০১৯
এসআরএস