ঘটনার পর পরই তায়েফ নামে একজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর শুক্রবার (২৬ জুলাই) দিনগত রাতে অভিযান চালিয়ে কামরুল ইসলাম (১৬) ও ফারুক আহমদ হৃদয়কে (১৫) আটক করে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব-৯) সদস্যরা।
গ্রেফতার কামরুল সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার আলমপুরের আবুল হোসেনের ছেলে ও ফারুক ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর থানার বারাকান্দি গ্রামের হারুন অর রশিদের ছেলে।
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) মোগলাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আখতার হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করে বাংলানিউজকে বলেন, হত্যার ঘটনায় বুধবার (২৪ জুলাই) দিনগত রাতে নিহত ছাত্রের চাচা নাজিম উদ্দিন বাদী হয়ে ১০ জনের নামোল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় আরও ২ থেকে ৩ জনকে আসামি করা হয়েছে। এ মামলায় মোট তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে প্রধান আসামি কামরান এখনো পলাতক রয়েছে।
এদিকে ঘটনার পর গ্রেফতার তায়েফ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। তার জবানবন্দির বরাত দিয়ে ওসি আখতার হোসেন বলেন, জুতা চুরির ঘটনার জের ধরে সহপাঠীরা মিলে তানভীরকে হত্যা করে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ১০ জনের নাম বলেছে সে।
বুধবার (২৪ জুলাই) দুপুর দেড়টার দিকে জুতা চুরির জের ধরে সিলেটের দক্ষিণ সুরমার আলমপুর কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সামনে তানভীরকে মারধর করে তারই সহপাঠীরা। কাঠের টুকরো দিয়ে তার মাথায় আঘাত করায় গুরুতর আহত হয় সে। এ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে তার অবস্থার অবনতি হলে সেখান থেকে ঢাকায় নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
বাংলাদেশ সময়: ১৬২১ ঘণ্টা, জুলাই ২৭, ২০১৯
এনইউ/এএটি