জানা যায়, রাস্তাটি নির্মাণের ফলে ঢাকার সঙ্গে নাগরপুরের যোগাযোগ অনেক সহজ হয়েছে কমেছে দূরত্ব ও খরচও। কিন্তু নির্মাণের পর থেকে মামুদনগর ইউনিয়নের গলাকাটা ব্রিজ সংলগ্ন ও পংবাইজোড়া বাজার সংলগ্ন রাস্তায় ভাঙন ও ফাটল দেখা দিলে প্রতিবার কর্তৃপক্ষ জোড়াতালি দিয়ে তা মেরামত করে।
এ রাস্তা দিয়ে নিয়মিত চলাচলকারী শিক্ষক আবিদুর রহমান বাংলানিউজকে জানান, রাস্তার এই অংশে গত বছর বৃষ্টির সময়ও গর্তের সৃষ্টি হয়েছিল। তখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ স্থায়ীভাবে মেরামত না করে জোড়াতালি দিয়ে মেরামত করেছিল বলেই আজ রাস্তার এই অবস্থা।
পোস্টকামারী গ্রামের রফিক মিয়া বাংলানিউজকে জানান, রাস্তার দুই পাশ থেকে বন্যার পানি চলে গেলে রাস্তা ধসে পড়ে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
অতিগুরত্বপূর্ণ এ সড়ক ও শেখ হাসিনা সেতুটি স্থানীয় সরকার ও প্রকৌশল অধিদপ্তর নির্মাণ করলেও সদ্য তা সড়ক ও জনপথ বিভাগ আত্তীকরণ করেছে। এজন্যই রাস্তা ও সেতু সংস্কারে বিলম্ব হচ্ছে বলে জানিয়েছে এলাকাবাসী।
সড়ক ও জনপথ বিভাগের সহকারী নির্বাহী প্রকৌশলী সোহেল মাহমুদ বাংলানিউজকে জানান, দ্রুত সময়ের মধ্যেই সড়ক ও সেতুটির ক্ষতিগ্রস্ত স্থান মেরামত কাজ শুরু করা হবে।
বাংলাদেশ সময়: ২০২৮ ঘণ্টা, জুলাই ২৭, ২০১৯
এনটি