রোববার (২৮ জুলাই) সকালে সিরাজগঞ্জ হার্ড পয়েন্টে যমুনার পানি রেকর্ড করা হয় ১৩.২৮ মিটার (ডেঞ্জার লেভেল-১৩.৩৫ মিটার)। যা বিপদসীমার ৭ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, চলতি জুলাই মাসের শুরু থেকেই যমুনার পানি তীব্র গতিতে বাড়তে থাকে। ১৪ জুলাই বিপদসীমা অতিক্রম করে। ১৮ জুলাই সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে বিপদসীমার সর্বোচ্চ ৯৯ সেন্টিমিটার ও কাজিপুরে ১২৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। এতে ক্রমেই বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়। পানিবন্দি হয়ে পড়ে তিন লক্ষাধিক মানুষ। ক্ষতিগ্রস্ত হয় ফসলি জমি, রাস্তাঘাট ও বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধ।
১৯ জুলাই থেকে পানি কমতে থাকে এবং ২৩ জুলাই বিপদসীমার নিচে নেমে যায়। ২৪ জুলাই থেকে আবারও পানি বাড়তে থাকে এবং ২৫ জুলাই বিপদসীমা অতিক্রম করে। একদিন স্থিতিশীল থাকার পর ২৭ জুলাই থেকে কমে ২৮ জুলাই (রোববার) বিপদসীমার নিচে চলে যায় যমুনা নদীর পানি।
সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী এ কে এম রফিকুল ইসলাম জানান, যমুনার পানি সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৫ সেন্টিমিটার কমে বিপদসীমার ৭ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অপরদিকে কাজিপুর পয়েন্টে ২৪ ঘণ্টায় ১৮ সেন্টিমিটার কমে বিপদসীমার ১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
তিনি বলেন, আগামী দু-চারদিনে আর পানি বৃদ্ধির সম্ভাবনা নেই বলে আবহাওয়া পুর্বাভাস কেন্দ্র থেকে জানা গেছে।
বাংলাদেশ সময়: ১৫৩৭ ঘণ্টা, জুলাই ২৮, ২০১৯
আরএ