ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার শোল্লা ইউনিয়নের শিংজোর গ্রামের মৃত আবুল হাসেম ভূঁইয়ার একমাত্র ছেলে মো. ফয়সাল ভূঁইয়া রনি। রনির তিন বোন।
রনির একটি অটোরিকশা আছে। সেটি ভাড়া দিয়ে প্রতিদিন তার ৪০০ টাকা আয় হয়। সেই অর্থের মধ্যে ৩০০ টাকা সংসারের কাজে লাগান আর বাকি ১০০ টাকা দিয়ে গাছের চারা কেনেন।
রনি বাংলানিউজকে বলেন, বাড়ির পাশে ছোট জায়গায় খামখুঁটির উপর পলেথিন দিয়ে একটি ঘর তৈরি করেছি। সেই ঘরের মধ্যেই ক্যাকটাস গাছগুলো রক্ষিত রয়েছে। বর্তমানে আমার বাড়িতে প্রায় ৩০০ প্রজাতির ক্যাকটাস গাছ রয়েছে। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- নটো ক্যাকটাস, গোল্ডেন বেরেল, লোথাপ, ইচিনো, রেপটেল ও হোক ক্যাকটাস।
সরেজমিনে রনির বাগানে গিয়ে দেখা যায়, শুধু ক্যাকটাস নয় তার ছোট বাগানে রয়েছে বিভিন্ন প্রজাতির ফুলগাছ। যেমন- নার্গীস ফুল, বাসর লতা, লিপিস্টিক, ঝুমকা লতা, নীল পদ্ম, গোলাপি পদ্ম, নীল শাপলা, থাইল্যান্ডি প্যানা। এছাড়াও চেরি, মালটা, চায়না কমলা, বার্ষিকী আমড়া, আম, জলাপাই, আপেল, কমলাসহ বিভিন্ন রকমের ফলের গাছ রয়েছে।
রনি বাংলানিউজকে বলেন, অর্থনৈতিকভাবে সচ্ছল হলে এবং পর্যাপ্ত জায়গা থাকলে গাছগুলো একটু বড় করে বিক্রি করে ভালোভাবে জীবন যাপন করতে পারতাম।
বাংলাদেশ সময়: ১৭৩১ ঘণ্টা, জুলাই ২৮, ২০১৯
এনটি