রোববার (২৮ জুলাই) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার মেঘনা তীরবর্তী নজরদৌলত গ্রামে নদী ভাঙন এলাকা পরিদর্শন শেষে স্থানীয় বীরগাঁও ইউনিয়ন শাখা আওয়ামী লীগ অায়োজিত এক জনসভায় যোগ দিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
জনসভা শেষে প্রতিমন্ত্রী একই উপজেলার বাইশমৌজা, দাসকান্দি ও কেদারখোলা এলাকায় মেঘনা নদীর ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে নদীর পাড় রক্ষা করতে চেষ্টা করি। ইতোমধ্যে অনেক প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছি। ১০ বছর আগেও নদী ভাঙন হয়েছে কিন্তু সেভাবে পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হয়নি। আমাদের দেশ এখন স্বাবলম্বী তাই নদী ভাঙনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারণে দেশ আজ অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। আমি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে কাজ করে চলেছি।
সাংবাদিকদের উদ্দেশে জাহিদ ফারুক বলেন, যারা অবৈধভাবে নদী থেকে ড্রেজার দিয়ে বিভিন্নভাবে বালু উত্তোলন করছে তাদের ছবি মিডিয়ায় প্রকাশ করুন। আপনারা মিডিয়ায় এদের ছবি প্রকাশ করলে প্রশাসনের সহযোগিতা হয়। আমরা বালু উত্তোলন বন্ধের বিষয়ে ইতোমধ্যে মন্ত্রণালয় থেকে প্রশাসনকে চিঠি দিয়েছি।
প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে এসময় উপস্থিত ছিলেন- ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনের সংসদ সদস্য এবাদুল করিম বুলবুল, পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক প্রকৌশলী মো. মাহফুজুর রহমান ও পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম প্রধান মন্টু কুমার বিশ্বাস।
বাংলাদেশ সময়: ১৭৩৫ ঘণ্টা, জুলাই ২৮, ২০১৯
আরএ