রোববার (২৮ জুলাই) সকালে নীলফামারী-সৈয়দপুর সড়কে জেলা সদরের ফুলতলা নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত হাবিবুর জেলা সদরের চওড়াবড়গাছা ইউনিয়নের কাঞ্চনপাড়া গ্রামের রশিদুল ইসলামের ছেলে।
আহত মমতা খাতুনকে নীলফামারী সদর আধুনিক হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
মমতা নিহত হাবিবুরের চাচাত বোন এবং একই গ্রামের মজিবুল ইসলামের মেয়ে। তারা দু’জনেই উত্তরা ইপিজেডের উত্তরা সোয়েটার ফ্যাক্টরির শ্রমিক বলে জানায় পুলিশ।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষর্শীরা জানান, রোববার (২৮ জুলাই) সকালে হাবিবুর রহমান মোটরসাইকেলে তার চাচাতো বোন মমতাকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ি থেকে উত্তরা ইপিজেডের কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন। পথে নীলফামারী-সৈয়দপুর সড়কের ফুলতলা নামক স্থানে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মাইক্রোবাস তাদের বহনকারী মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন হাবিবুর।
নীলফামারী সদর থানার উপ-পরিদর্শক মো. সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়ের করে মরদেহ হাবিবুরের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। মাইক্রোবাসটি আটক করা হলেও চালক পালিয়ে গেছে।
বাংলাদেশ সময়: ১৯২৫ ঘণ্টা, জুলাই ২৮, ২০১৯
আরএ