ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩১, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ২৭ শাবান ১৪৪৬

জাতীয়

বন্ধুর হাতে বন্ধু খুন, নিখোঁজের সাতদিন পর মরদেহ উদ্ধার

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ০৩২৬ ঘণ্টা, জুলাই ২৯, ২০১৯
বন্ধুর হাতে বন্ধু খুন, নিখোঁজের সাতদিন পর মরদেহ উদ্ধার নিহত সুমনের বস্তাবন্দি লাশ, গ্রেপ্তার বন্ধু সোহেল (ডানে)

লক্ষ্মীপুর: লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে বন্ধুর হাতে বন্ধু খুন হয়েছে। নিখোঁজের সাতদিন পর মাটিচাপা অবস্থায় সুমন (২৬) নামে একজনের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তার বন্ধু ও সহকর্মী মো. সোহেলকে আটক করেছে পুলিশ।

রোববার (২৮ জুলাই) সন্ধ্যায় উপজেলার ভোলাকোট ইউনিয়নের উত্তর নাগমুদ গ্রাম থেকে বস্তাবন্দি অর্ধগলিত মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এর আগে ২১ জুলাই রাতে সুমন নিখোঁজ হয়।

নিহত সুমন কুমিল্লা জেলার মুরাদপুরের সুজানগর গ্রামের মো. ইউনুছ আলীর ছেলে। আটক সোহেল রামগঞ্জের নাগমুদ গ্রামের বাবুল মিয়ার ছেলে। তারা রামগঞ্জের সোনাপুর বাজারের মো. ইউসুফের মুদি দোকানে কর্মচারী হিসাবে কাজ করতো।  সুমন-সোহেল একে অপরের বন্ধু ছিল।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, তারা দু'জন কয়েক বছর ধরে ওই মুদি দোকানে চাকরি করছে। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সুমনের কাছ থেকে সোহেল টাকা ধার নেয়। পাওনা টাকা নিয়ে তাদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। হঠাৎ ২১ জুলাই রাতে সুমন নিখোঁজ হয়। কোথাও খুঁজে না পেয়ে সুমনের বাবা ইউনুছ আলী রামগঞ্জ থানায় ২৭ জুলাই একটি লিখিত অভিযোগ করেন।  

অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ওইদিন বিকেলে সোহেলের বাবা বাবুল মিয়াকে আটক করে। খবর পেয়ে সোহেল থানায় গিয়ে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন। রোববার তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী নাগমুদ গ্রামের মিঝি বাড়ির নির্জন বাগান থেকে মাটিচাপা অবস্থায় সুমনের বস্তাবন্দি অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

রামগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) একেএম ফজলুল হক বলেন, আটক সোহেল হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে। সোমবার তাকে আদালতে পাঠানো হবে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।

বাংলাদেশ সময়: ২৩২৬ ঘণ্টা, জুলাই ২৮, ২০১৯
এসআর/এমএইচএম

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।