সোমবার (২৯ জুলাই) কমলাপুর রেল স্টেশনে ঈদুল আজহার অগ্রিম টিকিট বিক্রির কার্যক্রম পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন মন্ত্রী।
রেলপথ মন্ত্রী বলেন, এবারও ঢাকার পাঁচটি স্থান থেকে অগ্রিম টিকিট বিক্রি হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, গতবার অগ্রিম টিকিট বিক্রির পরিস্থিতি একটু এলোমেলো ছিল। এবার পরিবেশ দেখে উন্নতি হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। বাকিটা আপনাদের বিবেচনা। আগামী ১২ আগস্ট সম্ভাব্য ঈদুল আজহার তারিখ ধরে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছি। যাত্রীদের জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এখানে র্যাব, পুলিশ ও রেলওয়ের নিজস্ব নিরাপত্তা কর্মীসহ সবাই একসঙ্গে নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে।
গতবারের মতো এবারও ঘণ্টার পর ঘণ্টার অপেক্ষা করে অনলাইন ও মোবাইল অ্যাপসের টিকিট পাওয়া যাচ্ছে না যাত্রীদের এ অভিযোগ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ৫ লাখ লোক যদি একসঙ্গে টিকিটের জন্য অ্যাপসে হিট করে তাহলে টিকেট দেওয়া সম্ভব নয়। কারণ আমরা অ্যাপসের টিকিট দিচ্ছি ১০ হাজার। এর মানে আমি চার লাখ ৯০ হাজার লোককে টিকিট দিতে পারছি না। কাজেই তাদের ভয়েস বেশি হবে। আমাদের সাধ্যের মধ্যে যা আছে আমরা তাই দিচ্ছি।
মন্ত্রী আরও বলেন, এখন থেকে আন্তঃনগর, মেইল সব মিলিয়ে ৫৯ হাজার ৬৭৭ টিকিট একদিনের জন্য যাত্রীদের কাছে বিক্রি করা হবে। আজকে ১০ হাজার ৭৭৪টি টিকিট মোবাইল অ্যাপস ও ই-সেবার মাধ্যমে বিক্রি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সকাল ছয়টা থেকে সাড়ে দশটা পর্যন্ত অ্যাপসে বিক্রি হয়েছে ৩ হাজার ৬৭৪ আর ই-সেবার মাধ্যমে বিক্রি হয়েছে তিন হাজার ৭৮৯টি টিকিট। টিকিট অবিক্রিত রয়েছে তিন হাজার ৩৫১টি টিকিট। মোবাইল অ্যাপস ও ই-সেবার মাধ্যমে মোট সাত হাজার ৪৬৩টি টিকিট বিক্রি হয়েছে। এসময় কাউন্টারে বিক্রি হয়েছে তিন হাজার ৩৭টি টিকিট।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন রেল সচিব মো. মোফাজ্জেল হোসেন, রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. শামসুজ্জামান ও অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন) মিয়া জাহান প্রমুখ।
বাংলাদেশ সময়: ১৩৩১ ঘণ্টা, জুলাই ২৯, ২০১৯
এমএমআই/এইচএডি