সোমবার (২৯ জুলাই) সকালে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
গত বৃহস্পতিবার তিনি জ্বরে আক্রান্ত হন।
তার বাড়ি ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার লোহারটেক বাছার ডাঙ্গী গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের মৃত কদম বিশ্বাসের ছেলে।
সেলিমের স্ত্রী মুন্নি আক্তার বাংলানিউজকে জানান, ঢাকার যাত্রাবাড়ি এলাকায় একটি গ্যারেজে কাজ করতেন সেলিম। এক মাস আগে নিজেই একটি গ্যারেজ করেছিলেন। গত বৃহস্পতিবার ঢাকায় তিনি জ্বরে আক্রান্ত হন। প্রথম দু’দিন ফার্মেসি থেকে ওষুধ কিনে খেলেও কোনো প্রতিকার না পেয়ে রোববার বিকেলে ঢাকা থেকে চরভদ্রাসনের বাড়ি চলে আসেন। বিকেলে স্থানীয় চরভদ্রাসন আধুনিক ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রক্ত পরীক্ষা করা হয়। সেখানে রক্তে প্লাটিলেট এক লাখ বিশ হাজার পাওয়া গেলে তারা উন্নত চিকিৎসার পরামর্শ দেন। রাতেই তাকে (সেলিমকে) ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে বিভিন্ন পরীক্ষা করতে দেওয়া হয়। সোমবার সকালে তার মৃত্যু হয়।
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. কামদা প্রসাদ জানান, ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত এই হাসপাতালে ৩০ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। এদের মধ্যে একজন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। তবে সেলিম ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন কি না তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। কারণ তাকে যে পরীক্ষাগুলো করতে দেওয়া হয়েছিল তার রিপোর্ট পাওয়ার আগেই তিনি মারা যান।
পারিবারিক সূত্র জানায়, সোমবার জোহর নামাজের পর জানাজা শেষে সেলিমকে স্থানীয় বিশ্বাস বাড়ি কবরস্থানে দাফন করা হয়।
বাংলাদেশ সময়: ১৫২৫ ঘণ্টা, জুলাই ২৯, ২০১৯
আরএ