সোমবার (২৯ জুলাই) জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের (নিসআ) এক বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত ‘নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি' শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
আরেফিন সিদ্দিক বলেন, আমরা নিরাপদ সড়ক চাই, নিরাপদ সমাজ চাই, জানমালের নিরাপত্তা চাই।
তিনি বলেন, আমরা সার্বিকভাবে সড়কে নিরাপত্তা চাই। আমরা যারা সড়ক ব্যবহার করি, তাদের জানতে হবে কীভাবে সড়ক ব্যবহার করতে হয়। যদি আমরা সবগুলো বিষয়ে সচেতন থাকি এবং নিয়ম মেনে সড়ক ব্যবহার করি তাহলে সড়ক নিরাপদ করা সম্ভব হবে। কিন্তু, সমস্যা হচ্ছে সেটি আমরা করছি না।
তিনি আরও বলেন, সড়ক নিরাপত্তার বিষয়টি পাঠ্যবইতে যোগ করা, এটা যে কতো গুরুত্বপূর্ণ সেটা বলে বোঝানো যাবে না। সড়ক নিরাপত্তার বিষয়টি পাঠ্যবইতে যুক্ত করা যে কতোটা গুরুত্বপূর্ণ সেটা বলে বুঝানো যাবে না।
সভায় সংগঠনটি নিরাপদ সড়কের জন্য নয়টি দাবি তুলে ধরেন।
দাবিগুলো হলো-ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা অবিলম্বে স্বয়ংক্রিয় ও আধুনিকায়ন করা, ঢাকাসহ সারাদেশে শিক্ষার্থীদের জন্য হাফ ভাড়ার ব্যবস্থা করা, বেপরোয়া গাড়ি চালানোর কারণে দুর্ঘটনা ঘটলে চালককে সর্বোচ্চ শাস্তির আওতায় আনা, যথাযথ তদন্ত সাপেক্ষে সড়ক দুর্ঘটনার দায় বাস মালিকদের নেওয়া, ট্রাফিক আইনের প্রতি জনসচেতনতা বাড়ানোর সুবিধার্থে প্রাথমিকের পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করা, বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির ( বিআরটিএ) সব কর্মকাণ্ডের উপর নজরদারি বাড়ানো, জবাবদিহিতার আওতায় আনা, জনসাধারণের চলাচলের স্বার্থে ফুটপাত, ফুটওভার ব্রিজ বা বিকল্প নিরাপদ ব্যবস্থা দ্রুত সময়ের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে, বৈধ অবৈধ যানবাহন চালকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বৈধতার আওতায় এনে সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) পরিচালক তানজিলা খানম, দৈনিক আমাদের নতুন সময় পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক নাঈমুল ইসলাম খান, সড়ক শৃঙ্খলা কমিটির সদস্য রোকেয়া প্রাচী, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ওসমান আলী, আয়োজক সংগঠনের আহ্বায়ক মোস্তফা রিজওয়ান রাহাত এবং যুগ্ম-আহবায়ক ইনজামুল হক প্রমুখ ।
বাংলাদেশ সময়: ২১১৫ ঘণ্টা, জুলাই ২৯, ২০১৯
এমএমআই/আরআইএস/