এদিকে, সদর হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর জন্য সেল গঠন করা হলেও ডেঙ্গু পরীক্ষার ব্যবস্থা না থাকায় তা কোনো কাজে আসছে না। পাশাপাশি ডেঙ্গু রোগীর পরিসংখ্যানও নেই স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগের কাছে।
এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব শাহিনা খাতুন বাংলানিউজকে বলেন, এখনও নাটোরের সিভিল সার্জন ডেঙ্গু পরীক্ষার উপদান আনতে ঢাকায় কাউকে পাঠাননি।
নাটোর সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. মলয় কুমার বাংলানিউজকে বলেন, সদর হাসপাতালে পরীক্ষার ব্যবস্থা না থাকায় বাইরে থেকে পরীক্ষা করা হচ্ছে। তবে সদর হাসপাতালে এখন পর্যন্ত কোনো ডেঙ্গু রোগী পাওয়া যায়নি।
নাটোরের সিভিল সার্জন ডা. আজিজুল ইসলাম বাংলানিউজকে বলেন, নাটোরে এ পর্যন্ত দুইজন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে। ২/১ দিনের মধ্যে ডেঙ্গু পরীক্ষার উপাদান নাটোরে আসবে বলে।
তবে সিভিল সার্জনের চেয়ে ভিন্ন তথ্য দিলেন শহরের ডেঙ্গু পরীক্ষার একমাত্র বেসরকারি সততা ক্লিনিকের স্বত্বাধিকারী মো. আব্দুল আওয়াল রাজা। তিনি বাংলানিউজকে বলেন, চলতি মাসে নাটোরে কয়েকজন চিকিৎসক ১৮ জনকে পরীক্ষার জন্য এখানে পাঠিয়েছেন। এরমধ্যে সাতজন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে।
বাংলাদেশ সময়: ০৬০০ ঘণ্টা, জুলাই ৩০, ২০১৯
এনটি