সিংড়া পৌরসভার ফেরিঘাট এলাকার গরু-ছাগলের হাটে গিয়ে দেখা যায়, ক্রেতা-বিক্রেতাদের হাঁক ডাকে মুখরিত হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা। চলছে গরু-ছাগল কেনাবেচা।
স্থানীয়রা জানায়, ভোর থেকে বগুড়া, নাটোর ও সিরাজগঞ্জ জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ক্রেতা-বিক্রেতা আসতে থাকে। সকাল ১০টার দিকে হাটটি কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে এ হাটে বেচাকেনা। এজন্য হাটে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে ইজারাদাররাও আছেন বেশ সচেতন। পুরো হাট রেখেছেন নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে।
সিংড়া ফেরিঘাট এলাকায় গরুর হাটে আসা গুরুদাসপুরের মানিক হোসেন বাংলানিউজকে বলেন, একটি গরু নিয়ে এসেছি। নাম ‘ভোলা’। তার দাম উঠেছে ২ লাখ টাকা। দামে খুশি হলেও ২ লাখ ৩০ হাজার টাকায় বিক্রি হলে ভালো হতো।
বিভিন্ন জায়গায় থেকে আসা একাধিক গরুর বিক্রেতারা জানান, সিংড়া গরুর হাট অনেক বড় হাট। এখানে কোনো দালালের সমস্যা নেই। কোনো ছিনতাইকারীও নেই। নির্বিঘ্নে গরু-ছাগল ক্রয়-বিক্রয় করছেন সবাই। তবে জায়গার সংকুলান না হওয়ায় আশেপাশের এলাকায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে ক্রয়-বিক্রয় চলছে।
এদিকে, হাট ইজারাদার মো. সোহাগ হোসেন বাংলানিউজকে বলেন, প্রতি সোমবার এই স্থানে গরু-ছাগলের হাট বসলেও আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে নির্ধারিত দিনের বাইরে আগামী (১০ আগস্ট) শনিবার গরুর হাট বসানো হবে। এজন্য ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তাসহ সব প্রস্তুতি রাখা হয়েছে।
সিংড়া পৌরসভার মেয়র মো. জান্নাতুল ফেরদৌস বাংলানিউজকে বলেন, গরুর হাটে কোনো চাঁদাবাজি বা কোনো ধরনের অপরাধ নেই। মানুষ দালালের খপ্পরে না পড়ে সে ব্যাপারে তারা সজাগ রয়েছে। হাটটি বন্যার পানিতে ডুবে যাওয়ায় বিআরডিবির বাগান, মহিলা কলেজ মাঠ ও সিংড়া-কলম সড়কের ওপর হাট বসানো হয়েছে।
সিংড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম বাংলানিউজকে বলেন, হাটে যাতে কোনো প্রকার বিশৃঙ্খলা না ঘটে এবং কেউ যাতে দালালের খপ্পরে না পড়ে, সে ব্যাপারে পুলিশ সজাগ রয়েছে। জাল টাকা রোধেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ সময়: ০৬১৮ ঘণ্টা, জুলাই ২৯, ২০১৯
এনটি