মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) সকালে উপজেলার ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়নের গোবিন্দকাটি গ্রামের একটি পাটক্ষেত থেকে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহত আলমগীর ওই গ্রামের ফকির সরদারের ছেলে ও জেলার সংগ্রাম পরিবহনের সুপারভাইজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বাংলানিউজকে জানান, সকালে স্থানীয়দের দেওয়া খবরের ভিত্তিতে গোবিন্দকাটির একটি পাটক্ষেত থেকে আলমগীরের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতের শরীরের ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে ও গলায় ফাঁস লাগানো ছিল। তবে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আটক করতে পুলিশ অভিযানে নেমেছে বলেও জানান তিনি।
বাংলাদেশ সময়: ১০০৫ ঘণ্টা, জুলাই ৩০, ২০১৯
এএটি