গুরুতর আহতাবস্থায় সোমবার (২৯ জুলাই) দিনগত রাত ১০টার দিকে স্ত্রী খাদিজা আক্তারকে শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছে স্থানীয়রা। আগুনে খাদিজার বুক, পেটসহ শরীরের বিভিন্ন স্থান ঝলসে গেছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বাঁশকান্দি ইউনিয়নের শেখপুরে তিন মাসের কন্যা সন্তান নিয়ে ভাড়া বাসাতে থাকতেন নাসির ফকির ও খাদিজা আক্তার। বিভিন্ন সময় কারণে অকারণে খাদিজাকে মারধর করতেন নাসির ফকির। নিজে কোনো কাজ করতেন না, ৩ মাসের কন্যা সন্তানের ভরণপোষণও ঠিকমতো দিতে পারতেন না। এনিয়ে প্রায়ই তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ লেগে থাকতো। সোমবার রাতে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে স্বামী নাসির ফকির তার স্ত্রীর গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন। আগুনে শরীরে বিভিন্ন স্থান ঝলসে যায় স্ত্রী খাদিজা আক্তারের। তার চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে আহতাবস্থায় তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
আহত খাদিজা আক্তার জানান, আমার স্বামী কোনো কাজ করতেন না। অভাবের সংসারে প্রায়ই আমাকে মারধর করতেন। সোমবার রাতে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তিনি (নাসির ফকির) আমার গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দিয়ে পালিয়ে যান।
শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির হোসেন বাংলানিউজকে জানান, কেরোসিন ঢেলে স্ত্রীর শরীর ঝলসে দেওয়ার খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ পাঠানো হয়েছে হাসপাতালে। এ ঘটনার পর দগ্ধ গৃহবধূর স্বামী পলাতক রয়েছেন। তাকে আটকের চেষ্টা চলছে।
বাংলাদেশ সময়: ১১৫৯ ঘণ্টা, জুলাই ৩০, ২০১৯
এএটি