ঢাকায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে কিছুটা সুস্থ হয়ে কুড়িগ্রামে ফিরেছেন এমন অনেকেই আবার অসুস্থ হয়ে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। তাই রোগীর চাপ বাড়ায় ডেঙ্গু কর্নার চালু করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) কুড়িগ্রাম আধুনিক সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. শাহিনুর রহমান বাংলানিউজকে জানান, গত ৪৮ ঘণ্টায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮ জনে। এরমধ্যে আরিফুল হাসান, আব্দুল্লাহ আল মামুন, আলী আহমেদ, আমিনুল ইসলাম ও খাইরুল ইসলাম নামে পাঁচজন ঢাকায় ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে এসে কুড়িগ্রামে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। অন্য তিনজনের অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে।
রোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা সবাই ২ থেকে ৩দিন আগে ঢাকা থেকে এসেছেন। এর মধ্যে আব্দুল্লাহ আল মামুন ঢাকায় জ্বরে আক্রান্ত হয়ে কুড়িগ্রাম ফিরলেও অন্যরা কুড়িগ্রামে ফিরে জ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন। পরে তারা স্থানীয় একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রক্ত পরীক্ষা করালে ডেঙ্গু ধরা পড়ে।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আবু মো. জাকিরুল ইসলাম জানান, আমাদের হাসপাতালে এনএস-১ এন্টিজেন শনাক্ত করার কোনো ব্যবস্থা না থাকলেও ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে। আমরা এরই মধ্যে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেওয়ার জন্য মেডিসিন ওয়ার্ডে ডেঙ্গু কর্নার চালু করেছি।
কুড়িগ্রাম সিভিল সার্জন ডা.এস এম আমিনুল ইসলাম জানান, আতঙ্কিত হওয়ার মতো কিছু নেই। সাধারণ চিকিৎসাতেই ডেঙ্গু সেরে যায়, তবে হেমোরেজিক ডেঙ্গু জ্বর মারাত্বক হতে পারে। এতে প্লাটিলেট দ্রুত কমে গিয়ে রোগীর অবস্থা খারাপ হতে থাকে।
বাংলাদেশ সময়: ২০২২ ঘণ্টা, জুলাই ৩০, ২০১৯
এফইএস/ওএইচ/