ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩১, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ২৭ শাবান ১৪৪৬

জাতীয়

কুড়িগ্রাম হাসপাতালে ৫ ডেঙ্গু রোগী, ঢাকায় স্থানান্তর ৩

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ০০৪৩ ঘণ্টা, জুলাই ৩১, ২০১৯
কুড়িগ্রাম হাসপাতালে ৫ ডেঙ্গু রোগী, ঢাকায় স্থানান্তর ৩ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী, ছবি: বাংলানিউজ

কুড়িগ্রাম: কুড়িগ্রাম আধুনিক সদর হাসপাতালে ক্রমাগত বাড়ছে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। এরই মধ্যে আটজন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৫জনকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। বাকি তিনজনের অবস্থা অবনতি হওয়ায় তাদের ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

ঢাকায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে কিছুটা সুস্থ হয়ে কুড়িগ্রামে ফিরেছেন এমন অনেকেই আবার অসুস্থ হয়ে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। তাই রোগীর চাপ বাড়ায় ডেঙ্গু কর্নার চালু করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) কুড়িগ্রাম আধুনিক সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. শাহিনুর রহমান বাংলানিউজকে জানান, গত ৪৮ ঘণ্টায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮ জনে। এরমধ্যে আরিফুল হাসান, আব্দুল্লাহ আল মামুন, আলী আহমেদ, আমিনুল ইসলাম ও খাইরুল ইসলাম নামে পাঁচজন ঢাকায় ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে এসে কুড়িগ্রামে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। অন্য তিনজনের অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে।

রোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা সবাই ২ থেকে ৩দিন আগে ঢাকা থেকে এসেছেন। এর মধ্যে আব্দুল্লাহ আল মামুন ঢাকায় জ্বরে আক্রান্ত হয়ে কুড়িগ্রাম ফিরলেও অন্যরা কুড়িগ্রামে ফিরে জ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন। পরে তারা স্থানীয় একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রক্ত পরীক্ষা করালে ডেঙ্গু ধরা পড়ে।

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আবু মো. জাকিরুল ইসলাম জানান, আমাদের হাসপাতালে এনএস-১ এন্টিজেন শনাক্ত করার কোনো ব্যবস্থা না থাকলেও ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে। আমরা এরই মধ্যে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেওয়ার জন্য মেডিসিন ওয়ার্ডে ডেঙ্গু কর্নার চালু করেছি।

কুড়িগ্রাম সিভিল সার্জন ডা.এস এম আমিনুল ইসলাম জানান, আতঙ্কিত হওয়ার মতো কিছু নেই। সাধারণ চিকিৎসাতেই ডেঙ্গু সেরে যায়, তবে হেমোরেজিক ডেঙ্গু জ্বর মারাত্বক হতে পারে। এতে প্লাটিলেট দ্রুত কমে গিয়ে রোগীর অবস্থা খারাপ হতে থাকে।

বাংলাদেশ সময়: ২০২২ ঘণ্টা, জুলাই ৩০, ২০১৯
এফইএস/ওএইচ/

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।